Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে জেলা

আবির বিক্রি না হওয়ায় চিন্তিত বিক্রেতারা

বঙ্গবাণী ব্যুরো ডেস্ক:একদিকে মারণ ভাইরাসের চোখরাঙানি অন্যদিকে ভোট পুজো।বঙ্গে আট দফার যুদ্ধ শেষ। বঙ্গযুদ্ধে জয় কার সেই অপেক্ষারই অবসানের পালা আজ,ভোটের ফল ঘোষণা হতেই তাতে বঙ্গবাসীর মেতে ওঠার পালা আজ,লাল,সবুজ,গেরুয়া আবিরে মেতে ওঠার দিন আজ।কিন্তু এই ভোট উৎসবে মেতে ওঠার ক্ষেত্রে কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে মারণ ভাইরাসটি।করোনা সংক্রমণ রুখতে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী এবারে ভোটে যে দলই জিতুক না কেন কোনো রাজনৈতিক দলগুলির বিজয় উৎসবে সামিল হওয়া যাবে না।এর প্রভাব গিয়ে পড়েছে আবিরের ব্যবসার ওপর ।করোনার দাপটে একেবারে তলানিতে ঠেকেছে আবির।অনেক জায়গায় অনেক ব্যবসায়ী তাদের নিজস্ব দোকানে আবির তুললেও তাঁর বিক্রি কিন্তু নেই।তীব্র সংকটের মুখে রয়েছে আবির ব্যবসায়ীরা ।কার্যত রং,রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ধরা পড়েছে আবিরের দোকানে মাছি তাড়ানোর দশা।

করোনার দাপট এ রাজ্যে এত বেশী না থাকায় বিভিন্ন প্রান্তের দোকানদারেরা তাদের দোকানে রং ,আবির কিনে ফেলেছিল পাইকারি বাজার থেকে।ভোটের উৎসবে বর্ধমানবাসীদের সামিল হওয়ার জন্য আগেভাগেই বর্ধমানের রানীগঞ্জ বাজারে শেখ মইনুদ্দিন ও শেখ সিরাজ দোকানে এনে হাজির করেছে বিভিন্ন ধরনের রং।প্রায় ৩০ বস্তা আবির মজুত করেছে তাদের দোকানে।কিন্তু, নির্বাচন কমিশনের বিধি নিষেধের ভিত্তিতে কতটা আবির তারা আজ বিক্রি করতে পারবে তা সত্যি তাদের জানা নেই।ভোটের বাজারে তাদের আবির বিক্রি তে কেমন প্রভাব পড়বে সেই প্রসঙ্গে তাঁরা জানান, “গত বছরেও করোনার জন্য আমাদের রং,আবিরের বিক্রি গিয়ে ঠেকেছিল তলানিতে। এ বছরেও তাই।ভোটের ফল ঘোষণা আজ সেই আশায় দোকানে আবির মজুত করেছিলাম বেশ অনেক কেজি।কিন্তু কমিশনের,সরকারের নির্দেশ মেনে বিজয় মিছিল হবে না কোনো দলেরই । তার জন্য কতই আর বিক্রি হবে?”অন্যদিকে বীরভুমের বোলপুরে শেখ আবুল ও সনাতন সাহা র দোকানের চিত্র টাও এক।তাঁরা বলছেন,”২০২০সালে করোনার জন্য কার্যত শিকেয় উঠেছিল আমাদের ব্যবসা।বছর ঘুরলেও সেই দৃশ্যই ফিরে পাচ্ছি আবার।নতুন করে আবির কিনে পসরা সাজিয়ে বসলেও সরকারের বিধি নিষেধ মোতাবেক কজনই বা আর আবির কিনবে দোকানে এসে?” ফলে ভোটের ফল প্রকাশের দিনে কতটা আবির তাদের বিক্রি হবে তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছে তাঁরা।

প্রসঙ্গত, বঙ্গে ভোট শুরু হবার আগেও কিন্তু রাজ্যের পরিস্থিতি এতটা দুর্বিষহ ছিল না। করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটাও ছিল নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু নির্বাচনের যত দিন এগোতে শুরু করল ততই রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক ভাবে বাড়তে লাগল।দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যাটা আটশো হাজার থেকে এক দফায় ছুঁয়ে ফেলল ১৬ হাজারে।তার প্রভাব গিয়ে পড়ল নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকার উপর।পশ্চিম মেদিনীপুরের বেশ কিছু রং ব্যবসায়ীরা গতকাল থেকেই আবিরের পসরা সাজিয়ে বসলেও নেই কোনো ক্রেতার দল।
পশ্চিম মেদিনীপুরের পূর্ণেন্দু জানা ও সুজিত কুন্ডু এই দুই রং ব্যবসায়ীর দোকানে ধরা পড়ল একরমই চিত্র। এই পরিস্থিতির জন্য তাঁরা জানান, “ভেবেছিলাম এ বছরে ভোটের ফল বেড়ানোর পর একটু ব্যবসাটা ভালো হবে। গতকাল দোকান খুলে বসে থাকলেও ১০ শতাংশ আবির এখনও পর্যন্ত বিক্রি করতে পারিনি। “

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *