হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে দেশ

রদবদল হতে পারে বিজেপিতে

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: বিধানসভা নির্বাচনে মাত্র ৭৭ টি আসন পেলেও ২১৪ টি ভোটে বিজেপির হার হয়েছে তৃণমূলের কাছে। নির্বাচনের আগে যেমন বহু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন, তেমনি তাদের অনেকেই বিজেপির মোহ ত্যাগ করে নির্বাচনের পর দলে দলে ফিরে আসছেন তৃণমূলে। কিন্তু কেন এই দলবদল বারবার? শীঘ্রই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় রদবদল আনতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাই হয়তো বাংলা নতুন কোন মন্ত্রী পেতে পারে এমনই জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। সদ্যসমাপ্ত বিধানসভা নির্বাচনকে বাদ দিলেও দেখা যাচ্ছে প্রত্যেকবার এই খারাপ ফল হচ্ছে হুগলি ও ঝাড়গ্রামে, যেখানে বিজেপি একটিও আসন পায়নি। যেখানে ২০১৯ সালের নির্বাচনের ফলের নিরিখে মোট ১২১ টি বিধানসভা আসনের পশ্চিমবঙ্গে এগিয়েছিল বিজেপি, সেখানে ফলাফল ক্রমাগত খারাপ হতে শুরু করেছে।

তুলনামূলকভাবে ফলাফল ভালো হয়েছে কোচবিহারের নিশীথ প্রামাণিকের এবং আলিপুরদুয়ারের জন বার্লার। ২০১৯ এর নির্বাচনের মতনই ২০২১ এও সাতটি আসনের সাতটিই পেয়েছেন জন বার্লা। তবে দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে বিজেপির ফলাফল বেশ ভালো। রায়গঞ্জ, জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কালিম্পং বিভিন্ন জায়গায় কিছু আসন হারিয়েছে বিজেপি। রাজ্য বিজেপি নেতাদের বক্তব্য লোকসভা নির্বাচনের রায়গঞ্জে মোহাম্মদ সেলিম সিপিএম প্রার্থী হওয়ায় অনেকটা ভোট পেয়ে গিয়েছিলেন। তবে অনেক মুসলিম প্রধান এলাকাতেও বিজেপি এগিয়েছিল। বিধানসভা নির্বাচনে সেই সুবিধা পাওয়া যায়নি সব জায়গায়। লোকসভা নির্বাচনের মতো বিধানসভাতে নবদ্বীপ ছাড়া বাকি ছয়টি আসনে জয়লাভ করেছে বিজেপি এবং রানাঘাটের সাংসদ জগন্নাথ সরকার সবচেয়ে ভালো ফল করেছেন। কিন্তু স্বরূপনগরের ছবিটা ঠিক উল্টো। আবার ব্যারাকপুরে সন্তোষজনক ফল অর্জুন সিং এর। আর হুগলীতে কোনো আসনই পায়নি বিজেপি। সাংসদ লকেট চ্যাটার্জি চুঁচুড়ার প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তবে তিনিও জয়লাভ করতে পারেননি। শূন্য ঝুলি নিয়ে ফিরে যেতে হয়েছে বিজেপির বেশ কজন সাংসদকে। রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষের ছবিতেও খুব একটা পার্থক্য নেই। মেদিনীপুরের যথেষ্ট খারাপ ফল হয়েছে বিজেপির। অন্যদিকে লোকসভা নির্বাচনে সাতটি বিধানসভার সাতটিতেই এগিয়ে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। তবে এই বিধানসভা নির্বাচনে মাত্র দুইটি আসন পেয়েছেন তিনি। রাজ্য বিজেপি নেতাদের বক্তব্য বাবুল সুপ্রিয়কে কলকাতার টালিগঞ্জের প্রার্থী করায় তিনি নিজের এলাকায় প্রভাব ফেলতে পারেননি। তাই ওই এলাকায় বিজেপির নবাগত প্রার্থী জিতেন্দ্র তিওয়ারিকে সাধারণ মানুষ মেনে নিতে পারেননি বলেই মনে করছেন তারা। ইতিমধ্যেই দলের নির্দেশে লকেট চ্যাটার্জিকে হুগলি কেন্দ্র ছাড়াও আরামবাগ, উত্তর চব্বিশ পরগনা এবং বসিরহাট লোকসভা এলাকায় সংগঠনের দেখভালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় ঠিক কী রকম রদবদলের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী সেটাই দেখার।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *