www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে জেলা রাজ্য

চারিদিকে এত জল, তবুও তেষ্টা মেটানোর জল নেই

বঙ্গবাণী নিউজ,দিঘাঃ চারিদিকে এত জল তবুও তেষ্টা মেটানোর জল নেই। দিঘা, শঙ্করপুরের ধ্বংসস্তুপের মাঝে দাঁড়িয়ে বংশী পন্ডা বলেন, “আমাদের জলই জীবন। জলই মরণ।” ঘুর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ফলে ধ্বংসস্তুপে পরিনত হয়েছে গ্রামের পর গ্রাম। বাড়ি ঘর নিশ্চিহ্ন। পোশাক পরিচ্ছদ, খাবার কিছুই নেই। সব নিয়ে গেছে জলের তোড়ে। কবে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবে তা কারোর জানা নেই।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘুরে দেখে গেলেন বিধ্বংসী ঝড়ের পর সৈকত শহর দিঘার ক্ষয়ক্ষতির অবস্থা। সৈকত তীরের দোকানপাট ভেসে গেছে জলের তোড়ে। দিঘা জুড়ে শুধুই পাথর আর পাথর। এমন দৃশ্য বিগত একশো বছরেও দেখেনি, এমনই দাবি স্থানীয় বাসিন্দাদের। স্থানীয় বাসিন্দা বছর সত্তরের গৌর জানা বলেন, ‘অনেক ঝড়-ঝঞ্ছা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতিও হয়েছে। তবে এভাবে জলোচ্ছ্বাস এবং রাস্তা টপকে সমুদ্রের নোনা জল গ্রামে ঢুকে যাওয়া, ঘর বাড়ি ভেঙে পড়া কোনও দিন দেখিনি।’

চারদিন পর স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার চেষ্টা শুরু হয়েছে। সৈকত জুড়ে পড়ে থাকা লক্ষ লক্ষ পাথর সরানোর কাজ শুরু হয়েছে জেসিবি দিয়ে। ব্যবসায়ীরা দোকানপাট পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করতে শুরু করেছেন। এখনো জায়গায় জায়গায় জল জমে থাকায় রাস্তার উপর বসেছে সবজি বাজার।

ধ্বংসস্তুপ থেকে শেষ সম্বল খুঁজে টেনে বের করার চেষ্টা করছেন মহিলারা। কেউ দড়ি দিয়ে টেনে বাড়ির ছাউনি আটকানো চেষ্টায় ব্যস্ত। আবার কেউবা হোটেল, দোকানপাট গোছাতে ব্যস্ত। দিঘা জুড়ে এখন শুধুই যেন ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যস্ততা।

শঙ্করপুরের বংশী পন্ডা বলেন, ‘সমূদ্রে মাছ ধরেই চলে আমাদের জীবিকা। ঝড় আর জলোচ্ছ্বাসের দাপটে মাছ ধরতে যাওয়ার নৌকাটি গেছে ভেঙে। ভেঙেছে ঘর বাড়ি। সামনে বর্ষাকাল। ইলিশের মরশুম। না আছে মাথা গোঁজার ঠাই। না আছে জীবিকা অর্জনের সরঞ্জাম। খোলা আকাশের নিচে কাটাতে হচ্ছে হাজার হাজার মানুষকে। এখনও সরকারি কোনও ত্রাণ এসে পৌঁছায়নি। মানুষের দুর্দশার শেষ নেই।’ কবে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরবে বাঙালির সাধের পর্যটন কেন্দ্র দিঘা? এখন সেদিকেই তাকিয়ে সবাই।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *