হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে

বাংলার তরুণ গবেষকের কাজের স্বীকৃতি দিল ওড়িশার তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর

বঙ্গবাণী ব্যুরো ডেস্ক,পশ্চিম মেদিনীপুরঃ বাংলার তরুণ গবেষকের কাজের স্বীকৃতি দিল ওড়িশার তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর। দীর্ঘ সাত বছর ধরে দক্ষিণ-পশ্চিম মেদিনীপুরের ৩০০ বছরের ঔপনিবেশিক ইতিহাস গবেষণাকালে সুবর্ণরেখা নদীর ওপারে প্রতিবেশী ওড়িশার আঞ্চলিক ইতিহাসের বহু অজানা তথ্য ও প্রামাণ্য উঠে এসেছে আঞ্চলিক ইতিহাসের গবেষক শ্রী সন্তু জানার গবেষণায়।

দীর্ঘদিন ধরে অনুসন্ধান করে আলোকপাত করার  স্বীকৃতি পেলেন স্বনামখ্যাত গবেষক সন্তু জানা । সম্প্রতি প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশার প্রাচীন রাইবনিয়া দুর্গ প্রাঙ্গণে ওড়িশি নৃত্য ও জগন্নাথ ভজনের সুরে- তালে এক অনবদ্য লোকসাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে  রাইবনিয়া দুর্গ সুরক্ষা ও আঞ্চলিক উন্নয়ন সংগঠনের পক্ষ থেকে আয়োজিত বার্ষিক মহা উৎসব মঞ্চে তাঁকে  চঞ্চলামনি-শ্রীকান্ত চরণ পাত্র স্মৃতি গবেষণা সম্মান ২০২১ ও মানপত্র প্রদান করেন ওড়িশার তথ্য-সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী শ্রী জ্যোতিপ্রকাশ পানিগ্রাহী।

প্রসঙ্গত, বহুকাল পূর্বে ১৮৪২ সালে মেদিনীপুর সদর জজকোর্টে ইংরেজ বিচারপতি আলেকজান্দ্রে ফার্বসের এজলাসে দীর্ঘ আইনি বিবাদের পরে  ওড়িশার ময়ূরভঞ্জের রাজা যদুনাথ ভঞ্জ দেব বাহাদুর ও দাঁতনের তৎকালীন জমিদার অভিরাম চৌধুরী এবং কিশোর চরণ চৌধুরীর মধ্যে স্বাক্ষরিত  দুষ্প্রাপ্য একটি দলিল উদ্ধার করার ফলে বাংলা-ওড়িশার সীমানায় সুবর্ণরেখা নদী তীরবর্তি প্রায় ১০০ বিঘা জমির প্রকৃত মালিকানা সংক্রান্ত ইতিহাস ওড়িশার ইতিহাসেও এই প্রথম প্রকাশিত হল।  

গবেষক সন্তু লিখেছেন , তিরিশের দশকে মেদিনীপুর জেলার ওড়িশা রাজ্যে অন্তর্ভুক্তির জন্য ভাগবত চন্দ্র দাস ও রাধানাথ পতির মতো খ্যাতনামা বাঙালি আইনজীবীর লেখা চিঠি কিভাবে কটক পর্যন্ত ওড়িয়া রাজ্য সম্প্রসারণ আন্দোলন প্রসারিত করেছিল । এছাড়াও ব্রিটিশ যুগে দাঁতন ও জলেশ্বরের লবণ-চৌকি, রাইবনিয়া দুর্গে বর্গী দখলদার ভবানী পণ্ডিতকে নিয়ে বড়লাট লর্ড ওয়েলেসলির লেখা অপ্রকাশিত চিঠি।  বাংলা থেকে নির্বাচিত একমাত্র গবেষক সন্তু ছাড়াও ওইদিন সমগ্র ওড়িশা  থেকে নির্বাচিত আরও পাঁচ জন বিশিষ্ট কবি ,সাহিত্যিক ও গবেষককে সম্বর্ধিত করা হয়েছে। উদ্যোক্তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘রাজনৈতিক ও ভৌগলিক সীমানা ছাড়িয়ে সন্তু জানা এখন সকল তরুণ গবেষকের পথ প্রদর্শক।’ প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশা থেকে এহেন সম্মান বাংলার গবেষকদের অনুপ্রাণিত করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *