হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে

করোনা রোগীর সৎকারে নয়া নির্দেশিকা জারি রাজ্য সরকারের

বঙ্গবাণী ব্যুরো ডেস্ক:করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ভয়াবহতায় বেসামাল রাজ্যের পরিস্থিতি। হু হু করে বাড়ছে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।গত ২৪ ঘন্টায় সংক্রমণের সংখ্যা ১৩ হাজারের গন্ডি অতিক্রম করে ফেলেছে ইতিমধ্যেই। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রাজ্যের দৈনিক করোনা মৃতর সংখ্যাও।গত এক দিনেই মৃত্যু হয়েছে ৫৯ জনের।এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে হাসপাতালগুলিতে কোভিড রোগী মারা গেলে তাদের সৎকারের ক্ষেত্রে অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।বিপাকে পড়ছে মৃত রোগীর পরিবারের সদস্যরা। সেই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে করোনায় মৃত রোগীদের সৎকারের ব্যবস্থার পাশাপাশি ডেথ সার্টিফিকেটের ক্ষেত্রে নয়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য সরকার।

নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, নিজস্ব বাড়িতে থেকে যদি কোনো করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তি মারা যান সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তিকে ডেথ সার্টিফিকেট দেবে তাঁর তত্ত্বাবধান দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকই। অপরদিকে, যদি কোনো করোনা রোগীকে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরিত করার পথে মৃত্যু হয় সেক্ষেত্রে আগের হাসপাতাল কর্তৃপক্ষর তরফ থেকেই ডেথ সার্টিফিকেট দেওয়া হবে ওই ব্যক্তিকে।
পাশাপাশি, সৎকারের ক্ষেত্রে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, করোনায় মৃত ব্যক্তির দেহ সৎকারের জন্য প্রতিটি পুরসভায় একজন করে নোডেল অফিসার থাকবেন।মৃত্যুর ৩ ঘন্টার মধ্যে ওই ব্যক্তির সৎকারের পুরোপুরি ব্যবস্থা করতে হবে তাকে।এবং শেষ যাত্রায় সর্বোচ্চ ৫ জন পরিবারের সদস্য থাকতে পারবেন।
গত কয়েকদিন ধরেই দেখা যাচ্ছিল ঘন্টার পর ঘন্টা বাড়িতে করোনায় আক্রান্ত মৃতদেহ পড়ে থাকলেও দেহ উদ্ধারের ক্ষেত্রে ব্যবস্থা গ্রহণে অনেক সময় লেগে যাচ্ছিল, সৎকারের ক্ষেত্রে অসুবিধায় পড়তে হচ্ছিল পরিবারের সদস্যদের। সেই অসুবিধার মধ্যে যাতে কাউকে না পড়তে হয় তাই এদিন রাজ্য সরকারের এরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ বলে মনে করছেন অভিজ্ঞমহল।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *