হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে জেলা দেশ

কমিশনের সঙ্গে লুকোচুরি খেলা কেষ্ট ঠাকুরের

বঙ্গবাণী ব্যুরো ডেস্ক : বীরভূম জেলায় তিন ঠাকুর বিখ্যাত। একজন তারামা, অন্যজন রবি ঠাকুর। আর তিন নম্বরে অবশ্যই ‘কেষ্ট’ ঠাকুর। না হলে সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে বাড়ি থেকে বেড় হবার পরে গোটা বীরভূম চষে নিজের কর্মীদের সঙ্গে ১১টি বিধানসভার নির্বাচন নিয়ে প্রয়োজনীয় আলোচনা শেষের পরেও তাঁর খোঁজ পেল না কমিশনের লোকেরা। দিনভর লুকোচুরি খেলার পরে অবশেষে তারাপীঠে পুজো দিয়ে বের হবার পরে কমিশনের লোকেরা তাকে ধরতে পারল। আরএই ঘটনায় আরো একবার প্রমানিত হয়ে গেল, বীরভূমের এই ‘কেষ্ট ঠাকুর’ এখনও নিজের মর্জির মালিক। মঙ্গলবারই বীরভূমের ‘কেষ্টদা’ কমিশনের উদ্দেশ্য সাংবাকিদের বলেছিলেন ‘খেলা হবে’। আজ সকাল থেকে প্রথম দফার খেলা তিনি দেখিয়ে দিলেন বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।


দলীয় কর্মীরা অনুব্রত মন্ডল কে কমিশন নজরবন্দি করেছে এখবরে কিছুটা ভেঙে পড়লেও এদিন সারাদিন কর্মীদের সঙ্গে মিটিং করে লাস্ট মিনিট সাজেশন দিয়ে বেড়ালেন বীরভূমের এই নেতা। । এদিন সকাল ১১টা৪০ পর্যন্ত কমিশনের লক্ষ্যে ছিলেন অনুব্রত মন্ডল।

কিন্তু এর পরে হঠাৎ করেই তিনি কমিশনের চোখে ধুলো দিয়ে কোথায় চলে গেলেন, তার খোঁজ আর পায়নি কমিশন। হন্যে হয়ে খুঁজেও তার কোনো হদিশ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে কমিশনের লোকেরা। একজন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট। আর তাঁর সঙ্গে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরাও পাত্তা করতে পারেননি অনুব্রতর হালহকিকত।প্রত্যেকবার ভোটের আগে তাঁর উপরে কমিশনের এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ অনুব্রত মণ্ডল আগেই বলেছিলেন, ‘এটা কমিশনের রুটিন মাফিক কাজ।’ বীরভূমের মানুষের উন্নয়ন করি বলেই আজ আমাকে এরকম করছে। বীরভূমের মানুষই এর জবাব দেবে। বীরভূমের শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হবে। খেলা হবে। কীভাবে খেলা করতে হয় তা আমি কমিশনকে বুঝিয়ে দেব। একেবারে ফাইন খেলা হবে।’


কমিশনের নজর এড়িয়ে উধাও অনুব্রত মন্ডল এ খবরে রীতিমতন হৈচৈ পড়ে যায়। তাহলে সত্যিই কি তিনি তাঁর খেলা শুরু করে দিলেন! বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, ‘কমিশন কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এভাবে তাদের সঙ্গে লুকোচুরি খেলছেন অনুব্রত মন্ডল। কিভাবে বুথ দখল করে ভোট লুট করা হবে তার ব্লুপ্রিন্ট তৈরী করলেন। আমরা কমিশন কে বলব তাঁকে গ্রেপ্তার করে রাখা হোক। ভোটপর্ব না মেটা অবধি থানায় বসিয়ে রাখা হোক।’


অনুব্রত মন্ডলের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন তিনি প্রথমে যান নানুর। সেখান থেকে লাভপুর। পরে আহমেদপুর হয়ে সাঁইথিয়া। আর এখানেই শেষ হলো তার লুকোচুরির খেলা। সংবাদ মাধ্যমের ক্যামেরায় দেখা যায় তাঁকে। সাঁইথিয়ার একটি লজে যান। সেখানেই অপেক্ষা করছিলেন ওই কেন্দ্রের প্রার্থী নীলাবতী সাহা, শহরের প্রাক্তন চেয়ারম্যান বিপ্লব দত্ত। ছিলেন সাঁইথিয়া শহর সভাপতি, ব্লক সভাপতি সহ দলের নেতারা। মিনিট দশেক থাকার পর অনুব্রত যান মল্লারপুর হয়ে তারাপীঠ । মন্দিরে পুজো দেন। কি চাইলেন মা তারার কাছে তা অবশ্য বললেননি। তবে লুকোচুরির খেলা যে তিনি উপভোগ করেছেন তা তার শরীরি ভাষাতেই পরিস্কার।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *