হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে জেলা

হাসপাতালের সামনে জল, দুর্ভোগে রোগীরা

বঙ্গবাণী নিউজ, নকশালবাড়ি: নকশালবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতালের জরুরি বিভাগ এবং বহির্বিভাগের গেটের সামনে জমে থাকছে জল। ফলে যাতায়াত করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন হাসপাতালে আসা রোগীরা। নকশালবাড়ি থানার রাস্তা ধরে কয়েক পা হেঁটে হাসপাতালের রাস্তায় মেইন গেটে ঢুকতেই মাঝখানে বিশাল গর্ত। বিপদ এড়াতে অতি সাবধানে পথ চলতে হচ্ছে প্রসূতিদের। ট্রলিতে যাতায়াতের ক্ষেত্রে হয়রানি আরও বাড়ছে। অটল চা বাগানের বাসিন্দা জোতি নাগাসিয়া জানান, ‘দা’য়ের কোপ লেগে পা কেটে যায়। হাসপাতালের গেটে জল থইথই করছে। কাটা পা নিয়ে ঢুকতে খুব সমস্যা হয়েছে।’ একটি বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে রোগীকে ট্রলিতে করে নিয়ে যাওয়ার সময় অধিকাংশ ক্ষেত্রে হাসপাতালের কর্মীদের পাওয়া যায় না বলেই অভিযোগ। বাধ্য হয়ে রোগীকে ট্রলিতে চাপিয়ে হাসপাতালের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত পর্যন্ত নিয়ে যেতে হয় রোগীর বাড়ির লোকজনদের। তার ওপর হাসপাতালে ঢোকার রাস্তার এমন অবস্থায় দুর্দশা চরমে উঠেছে। কোভিড টেস্ট এবং টিকাকরণের জন্য প্রতিদিনই নকশালবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে ভিড় লেগেই রয়েছে।  সকাল থেকে থাকে প্রচুর মানুষের দীর্ঘ লাইন।  নকশালবাড়ির স্বাস্থ্য আধিকারিক (বিএমওএইচ) কুম্ভল ঘোষ বলেন, ‘হাসপাতালের গেটের সামনে নিকাশি নালাটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ অবস্থায় পড়ে রয়েছে। জল যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই। তাই ওই জায়গায় জল জমছে। আমরা নিকাশিনালা তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছি।’

নকশালবাড়ি হাসপাতালের বেহাল দশার জেরে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন রোগী ও পরিজনেরা। তার ওপরে বর্ষায় ভোগান্তি আরও বেড়ে চলেছে। আম্বুলেন্স থেকে রোগীকে নামিয়ে জরুরি বিভাগে ভর্তি করানোই হোক বা চিকিৎসার জন্য এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে নিয়ে যাওয়াই হোক সবেতেই পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে। এছাড়াও  গ্রামীণ হাসপাতালে দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে নেই কোনও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক। কথায় কথায় রোগীদের উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে রেফার করা হচ্ছে। কোভিড পরিস্থিতির মধ্যেই রোগীদের নিয়ে ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে ছুটতে হচ্ছে। বছর দুয়েক আগেই পূর্ত দপ্তরের মাধ্যমে দুই কোটি ত্রিশ লক্ষ টাকা দিয়ে গোটা হাসপাতালটি নীল রং করা হয়েছে। কিন্তু ঝাঁ চকচকে সেই হাসপাতালের ভেতরে সুষ্ঠু চিকিৎসা পরিষেবা মেলে না। এর সঙ্গে বারবার হোঁচট খাওয়া, ঝাঁকুনির ফলে আশঙ্কাজনক রোগীর অক্সিজেনের নল খুলে যাওয়ার মতো ঘটনাও যথেষ্ট উদ্বেগজনক। ঝাঁকুনির জেরে অস্ত্রোপচার হওয়া রোগী অথবা প্রসূতির বড় বিপদ হতে পারে। তার ওপরে রোগীর সঙ্গে কোনো প্রশিক্ষিত কর্মী না থাকায় সমস্যা আরও বাড়ছে। রথখোলার বাসিন্দা বিপ্লব শীল বলেন, ‘মুখ থেকে সামান্য রক্তক্ষরণ হওয়ায় কাকাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিলাম। চিকিৎসকরা তাঁকে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে রেফার করে দিলেন।’

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *