www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে রাজ্য

বক্সা’দুয়ারে ইন্ডোর স্টেডিয়াম !

অভীক গুপ্ত, ডুয়ার্স : জৈন্তী, সানতারাবাড়ী, জিরো পয়েন্ট পেরিয়ে সিঞ্চুলা পাহাড় সারির মধ্যমণি ঐতিহাসিক বক্সাফোর্ট। দীর্ঘদিনের জটিলতা পেরিয়ে সেই ফোর্টের পুনর্নির্মাণ এর কাজ চলছে জোরকদমে। এই বক্সাপাহাড়ের আরেকটা বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, এই বক্সাপাহাড় কিন্তু আমাদের বাংলার দুয়ারগুলির চূড়ায় অবস্থিত। এই দুয়ার থেকেই কিন্তু ডুয়ার্স নামের প্রচলন বলে জানা যায়।

সমুদ্রপৃষ্ঠের প্রায় আড়াইহাজার ফুট ওপরে অবস্থিত এই অনুন্নত বক্সাপাহাড়ে মুলত ডুকপা জনজাতির মানুষেরা বসবাস করেন। দীর্ঘদিন ধরেই অনেক কিছু হবে হবে করেও বাস্তবসম্মত, দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নের পরিবর্তে কসমেটিক ডেভেলপমেন্ট হয়েছে বলে মনে করেন অনেকেই। কিন্তু যে যাই বলুক ডেভেলপমেন্ট এর ছোঁয়া লেগেছে অবশেষে বক্সাপাহাড়ে, তা অস্বীকার বোধহয় কেউই করতে পারবেন না। কিছুদিন আগেই কালচিনির বিডিও প্রশান্ত বর্মণ বলেন,‘বক্সাফোর্টে একটা তিনসজ্জার ছোটখাটো হেল্থসেন্টার হতে চলেছে শিগগিরই।’ তা শুনে পাহাড়ের মানুষেরা খুবই খুশি হয়েছিলেন বলেই জানা যায়। এখন প্রশ্ন সবটাই যখন ঠিকঠাক তখন গোল বাধলো কোথায়? গোল বাধলো বিডিও সাহেবকে উদ্ধৃত করে একটা খবর প্রকাশ পাওয়ায় তুমুল আলোড়নের সৃষ্টি হয়েছে আলিপুরদুয়ার শহর তথা রাজ্যের পর্যটনপ্রেমী মানুষের মধ্যে। বক্সাফোর্টের সামনে একটা সুন্দর মাঠ আছে এবং সেখানে পাহাড়ের ছেলেরা ফুটবল, আর্চারীর চর্চা করে। সেই মাঠে সরকার নাকি ইন্ডোর স্টেডিয়াম বানাবেন বলে পরিকল্পনা করেছেন বলে জানিয়েছেন বিডিও শ্রী প্রশান্ত বর্মণ। তার সাথে আরো কিছু উন্নয়ন মূলক কাজেরও তিনি উল্লেখ করেছেন। এই মাঠটিতে ফোর্টের সৌন্দর্যের ব্যাঘাত ঘটিয়ে ইন্ডোর স্টেডিয়াম বানানোর পরিকল্পনার প্রতিবাদ হচ্ছে সব মহলেই।

আলিপুরদুয়ার শহরের ইন্ডোর স্টেডিয়ামেই যেখানে খুব বেশি কোনো খেলাধুলা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হতে দেখা যায়না, সেখানে প্রান্তিক বক্সাপাহাড়ে এতো প্রতিকুলতা অতিক্রম করে এই স্টেডিয়ামের বাস্তবতা নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষজন। এই বিরাট অঞ্চলের মানুষের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পানীয় জলের বন্দোবস্ত যেখানে হয়ে উঠলো না সেখানে এই স্টেডিয়ামের কোনো প্রয়োজন নেই বলেই জানিয়েছেন আলিপুরদুয়ার ডিস্ট্রিক্ট ট্যুরিজম অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক মানব বক্সী।

বক্সাফোর্ট সংস্কারের আর্কিওলজিকাল কনসালটেন্ট তমাল গোস্বামী বলেন, ‘বিভিন্ন নথি পত্র ঘেঁটে আমরা জানতে পেরেছি এই মাঠটা ছিলো প্যারেড গ্রাউন্ড এবং এখানে বন্দিরা ফুটবল, হকি খেলতো। এই মাঠটা একটা জলাশয় বুজিয়ে তৈরি করা হয়েছিল। সেখানে স্টেডিয়ামের ভার বহন করার মতো ক্ষমতা এই মাঠের আছে কিনা জানা দরকার। এমনিতেই ১৯৯৩ সালের বন্যায় ফোর্টের দক্ষিণ-পশ্চিম দিকের দেয়াল ধসে গিয়েছিল। নীলাকাশের নিচে ফোর্টকে ব্যাকগ্রাউন্ডে রেখে এই মাঠের যে সৌন্দর্য্য তাকে কংক্রিটে ঢেকে দেওয়ার পরিকল্পনাটা ঠিক না।’ চিলাপাতা ইকোট্যুরিজম সোসাইটির আহ্বায়ক অভীক গুপ্ত বলেন,  ‘যে স্টেডিয়ামের থেকে অনেক জরুরি ওই অঞ্চলের মানুষ যাতে তাদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বজায় রেখে ন্যূনতম পরিষেবাগুলির মানোন্নয়ন ঘটানো‌।’ ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত বক্সাপাহাড়ে পূর্ত দপ্তরে কর্মরত ছিলেন আলিপুরদুয়ার নিবাসী ননীগোপাল বক্সী। তাঁর অভিজ্ঞতায়, ‘ভুটানের রাজাদের সেইসময় ঘোড়ায় চড়ে দার্জিলিংয়ের উদ্দেশ্যে যেতে দেখেছি। ওখানকার মানুষ খুব অল্পতেই সন্তুষ্ট। তাদের জীবনযাপনের জন্যে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, রাস্তার সুবন্দোবস্ত করা আগে জরুরি।’ আলিপুরদুয়ারের আরেকজন বর্ষীয়ান মানুষ রোভার্স এ্যন্ড মাউন্টেনিয়ার্স ক্লাবের সভাপতি সুব্রত গাঙ্গুলি এই ধরনের পরিকল্পনার নিন্দা করেছেন। সুব্রত বাবু বলেন,‘২৪ ঘন্টার মধ্যে ওনারা বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে কালচিনির বিডিও কে  প্রতিবাদ জানাবেন। এই উদ্যোগ বাতিল না করা পর্যন্ত এই প্রতিবাদ চলবে।’

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *