Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে জেলা রাজ্য

আজাদ হিন্দ বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা মহান বিপ্লবী রাসবিহারী বসু ১৩৬ তম জন্মদিন পালিত হল

প্রদীপ কুমার মন্ডল, রায়না, ২৫ মে : আজাদিন বাহিনীর প্রতিষ্ঠাতা মহান বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর ১৩৬ তম জন্ম দিবস পালিত হলো ওনার গ্রামে। ছিলেন পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাধিপতি সহ রায়না বিধানসভার বিধায়িকা শম্পা ধাড়া, রায়না 2 নং ব্লক সভাপতি সহ পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ সৈয়দ কলিমুদ্দিন, বড়বৈনান গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান তরুণ কান্তি ঘোষ সহ অন্যান্য বিশিষ্টজনেরা। প্রথমে রাসবিহারী বসু সংগ্রহশালার সামনেই তাঁর মূর্তিতে মাল্যদান করেন পূর্ব বর্ধমান জেলা সভাধিপতি সহ রায়না বিধানসভার বিধায়িকা শম্পা ধাড়া। তারপর একে একে বিশিষ্ট অতিথিরা মাল্যদান করেন।

এবং রাসবিহারী বসু সম্বন্ধে উপস্থিত বক্তারা মূল্যবান বক্তব্য রাখেন। সুবলদহ মোড় থেকে সুবলদহ গ্রাম হয়ে রাসবিহারী বসুর জন্মভিটে পর্যন্ত যে পাকা রাস্তাটি নির্মাণ হচ্ছে সেই পাকা রাস্তাটি পর্যবেক্ষণে যান সভাধিপতি। তারপর সোজা চলে যান রাসবিহারী বসুর জন্ম ভিটায়। পর্যটন দপ্তরের উদ্যোগে রাসবিহারী বসুর জন্ম ভিটায় সরকারিভাবে পর্যটন দফতর গড়ে উঠছে তারও পর্যবেক্ষণ করেন সভাধিপতি সহ উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা। সভাধিপতি তথা বিধায়িকা শম্পা ধাড়া বলেন রাসবিহারী বসুর আবক্ষ মূর্তি কে মাল্যদান করে শ্রদ্ধা জানাবার পর আমরা এক মিনিট নীরবতা পালন করি। ওনার মত মানুষের জন্ম দক্ষিণ দামোদর এলাকায় হওয়ার জন্যই আমরা আজও গর্বিত। প্রতি বছর তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে তিন দিন ধরে সাংস্কৃতিক উৎসব পালিত হয়। বিগত বছর এবং এই বছর আমরা সেটা করতে পারলাম না। আগামী বছর রাসবিহারী বসু সাংস্কৃতিক মেলা খুব ধুমধাম করে করব। কোভিদ প্রটোকল মেনে সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠান হওয়ার পরই সভাধিপতি তথা বিধায়িকা সোজা চলে যান কামারগড়িয়া ফ্লাড সেন্টার পর্যবেক্ষনে। বিপ্লবী রাসবিহারী বসু জন্মগ্রহণ করেছিলেন রায়নায়।

জন্মের কয়েক বছর পড়েই পড়াশোনার জন্য সোজা চলে যান কলকাতা । পড়াশোনার সাথে সাথেই দেশ মাতা কে স্বাধীন করার চিন্তাভাবনা মাথায় আসে তাঁর। নানান বিপ্লবী কর্মকান্ডের সাথে যুক্ত হয়ে গিয়েছিলেন তিনি।তাঁর অন্যতম কৃতিত্ব ছিল বড়লাট হার্ডিঞ্জের উপর বোমা বিস্ফোরণ এর মাধ্যমে প্রাণঘাতী হামলা। তারপরই সিঙ্গাপুরে আজাদ হিন্দ বাহিনী গঠন। ভারতবর্ষকে স্বাধীন করার লক্ষ্যে আজাধীন বাহিনী কে নিয়ে মরণাপন্ন সংগ্রাম চালিয়েছেন তিনি। ঠিক সেই সময় সুভাষচন্দ্র বসুর সঙ্গে তার পরিচয় হয়। রাসবিহারী বসু যোগ্যতম নেতৃত্ব হিসেবে সুভাষচন্দ্র বসুর হাতে আজাধীন বাহিনী কে তুলে দেন একজন দক্ষ বিপ্লবী হিসেবে। তারপর ১৯৪৭ সালের ১৫ ই আগস্ট ভারতবর্ষ স্বাধীন হয়। সেই মহান বিপ্লবী রাসবিহারী বসুর ১৩৬ তম জন্ম দিবস উপলক্ষে কোভিড প্রটোকল মেনে তাঁকে স্মরণ করার জন্য একটি ছোট্ট অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হল বড়বৈনান গ্রাম পঞ্চায়েতের উদ্যোগে।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *