হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে

বাবার মৃত্যু শোক কেড়ে নিল মেয়ের প্রাণ

বঙ্গবাণী ব্যুরো ডেস্ক:পৃথিবীর সব সন্তানের কাছে সবচেয়ে শান্তির দৃশ্য হল তার বাবা মার মুখের পরিতৃপ্তির হাসি।বাবা মেয়ের সম্পক চিরকাল অনবদ্য।কিন্তু এ যেন এক অন্য চিত্র! অসুস্থ বাবার মৃত্যুশোক সহ্য করতে না পেরে অবশেষে হার্টফেল করে মৃত্যু হল মেয়ের।মাত্র ২৬ বছর বয়সে পরিবারের সকলকে ছেড়ে চলে গেল সে।ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার অন্তর্গত গলসি বাজারে।মৃত পিতার নাম নাজির আলি মা পূর্ণিমা আলি।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মৃত ওই তরুণীর নাম মুসকান আলি।গ্রামে সে পিঙ্কি নামেই পরিচিত। বয়স ছিল তার মাত্র ২৬ বছর।ছোটো থেকেই পড়াশোনাতেও বেশ ভালো ছিল পিঙ্কি তাই গ্রামের সকলের কাছে খুব প্রিয় ছিল সে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত পিতা সেখ নাজির আলি ক্যানসারের মতো দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছিলেন। প্রথমে তার চেন্নাই পরে কোলকাতার টাটা মেমোরিয়াল ক্যান্সার হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় ছিলেন তিনি। ২০০৯ সালে ওনার ছোটো ছেলের মৃত্যুর পর নাসির বাবুর একমাত্র সম্বল ছিলো তার মেয়ে পিঙ্কি। বাবাকে কখনও চোখের আড়াল হতে দিত না সে।ওষুধ খাওয়ানো থেকে শুরু করে খাবার খাইয়ে দেওয়া সবটাই মেয়ে পিঙ্কিই সামলাতো।পিতা নাজির আলির কাছে তার মেয়েই ছিল একমাত্র ভরসা, ভালোবাসা।গ্রামের সকলের কাছেই বাবা মেয়ের ভালোবাসা ছিল নজরকাড়া। কিন্তু বাবা মেয়ের ভালোবাসার অন্তরালে হঠাৎই নেমে এল বিপর্যয় ।গতকাল হঠাৎ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন নাজির বাবু।সঙ্গে সঙ্গে তাকে অক্সিজেন দেওয়ার ব্যবস্থা করা হলে পরিস্থিতি কিছু ক্ষনের জন্য স্থিতিশীল হয় তার। দিনটা ভালো ভাবে কাটিয়ে উঠলেও রাত্রি যতই বাড়তে থাকে নাজির বাবুর শ্বাস কষ্ট তত বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আগেই মেয়ে পিঙ্কি তৎক্ষনাৎ বাবাকে ছুটে নিয়ে যায় স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে।পরে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নাজির বাবুকে প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন তাঁকে। গতকাল পিতার মৃত্যুর দুঃসংবাদ শোনার পর থেকেই মন ভারাক্রান্ত হয়ে উঠেছিল আদরের মেয়ে পিঙ্কির।আজ বাবার মৃতদেহ হাসপাতাল থেকে বাড়িতে আনা মাত্র শোকার্ত মেয়ে পিঙ্কি কষ্ট সহ্য করতে না পেরে হার্ট ফেল করে।কিছু বুঝে ওঠার আগেই থেমে যায় তার প্রাণ।এক মূহুর্তে স্তব্ধ হয়ে যায় গোটা গ্রাম।এমন বেদনাদায়ক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবার সহ গোটা গলসি বাসীর মনে।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *