হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে জেলা

টানা বৃষ্টির ফলে ফুঁসছে নদীগুলি

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির ফলে জল বাড়ছে নদীগুলিতে। পশ্চিম মেদিনীপুরে কংসাবতী, শিলাবতী, সূবর্ণরেখা, রূপনারায়ণ , ঝুমি ও কেঠিয়া নদীতে জল বেড়েছে অনেকটাই। নদীর উপর থাকা একাধিক বাঁশের সাঁকো ভেসে গেছে জলের তোড়ে। আর এক-দু-দিন এমন টানা বৃষ্টি চলতে থাকলে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে জেলায়।

গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে সেচ দপ্তর। জেলা সেচ দপ্তরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, দুর্বল নদী বাঁধ মেরামতের কাজ করা হয়েছে বিভিন্ন জায়গায়। নজরদারী করা হচ্ছে নদী বাঁধগুলিতে।

অতি বৃষ্টি হলেই প্রতি বছর শিলাবতী নদীর জলে প্লাবিত হয় ঘাটাল শহর সহ বিস্তীর্ণ এলাকা। নদীর জল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘাটালের মানুষজন সতর্কতা অব্লম্বন করছেন। বৃহস্পতিবার জল জমেছে বিভিন্ন এলাকায়। গোয়ালতোড়ের হুমগড়-আমলাশুলি রাস্তার উপর কজওয়ে দিয়ে জল বইছে হু হু করে। জলের তোড়ে বিভিন্ন নদী ঘাটে সাঁকো ভেঙে যাওয়ায় নৌকা চলাচল শুরু হয়েছে যাতায়াতের জন্য।

ঘাটালের পাশাপশি, সূবর্ণরেখা নদী তীরবর্তী কেশিয়াড়ি, দাঁতনের বেশকিছু এলাকায় নজর রাখা হচ্ছে জেলা প্রশাসনের তরফে। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, সব রকম পরিস্থিতি মোকাবিলার জন্য প্রস্তুতি নেওয়াা হয়েছে। এদিকে মনসুকা এলাকায় ঝুমি নদী উপচে পড়ায় এলাকায় জল ঢুকতে শুরু করেছে। ঝুমি নদীর জলে মনসুকা ঘোড়ই ঘাট এলাকা জলমগ্ন। অপরদিকে চন্দ্রকোনায় শিলাবতী ও কেঠিয়া নদীর জলে আতঙ্কিত এলাকাবাসী। শিলাবতী নদীর জল ঢুকতে শুরু করেছে ঘাটাল পৌরসভার ১, ৬ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডে। যদিও ঘাটালের বাসিন্দা প্রলয় সামন্ত বলেন, ‘নদীতে জল বেড়েছে ঠিক, তবে বাঁধ না ভাঙলে এখনো আতঙ্কের কিছু নেই। ঘাটালের মানুষের কাছে এটা স্বাভাবিক। পরিস্থিতির অবনতি হলেও মানুষ সতর্ক আছেন।’

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *