হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে

অক্সিজেনের আকাল রাজধানীতে! হাহাকার চরমে

বঙ্গবাণী ব্যুরো ডেস্ক:
রোজ পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা। টিকার আকাল দেখা দিয়েছে সব জায়গায়।এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে অক্সিজেনের ঘাটতি।গত ২৪ ঘন্টায় অক্সিজেনের সঙ্কট আরও প্রকট আকার ধারণ করেছে রাজধানীতে। তবে কি শেষমেশ অক্সিজেনের অভাবেই মরতে হবে, সেই প্রশ্নেই এখন আতঙ্কিত দিল্লিবাসী।ইতিমধ্যেই রাজধানীতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখের গন্ডি অতিক্রম করে ফেলেছে।মাত্র ১ সপ্তাহের মধ্যেই আক্রান্ত হয়েছে ২ লাখ ৮১ হাজার ৬৮৩ জন। পাশাপাশি গত এক সপ্তাহের মধ্যে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২হাজার ২৬৩ জন।ভয়াবহ এই পরিস্থিতির মাঝেই দিল্লি জুড়ে অক্সিজেনের হাহাকার এক ভয়ঙ্কর চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে দেশবাসীর কাছে।

প্রসঙ্গত গত মঙ্গলবার গত মঙ্গলবার থেকেই দিল্লির অধিকাংশ হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহের ঘাটতি দেখা যায় ৭২ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই সেই অক্সিজেনের ঘাটতি অন্য মাত্রায় পৌঁছে যায়। দিল্লির অধিকাংশ হাসপাতলে অক্সিজেন সরবরাহ তলানিতে ঠেকে। দিনভর এ হাসপাতাল থেকে ও হাসপাতালে ছুটে বেড়াতে হয় কোভিড রোগীদের শুধুমাত্র একটু অক্সিজেন পাওয়ার জন্য।কেউ মাত্র ২ ঘন্টার জন্য অক্সিজেন পায় আবার কেউ তো ঠাঁই পযন্ত পায়নি কোনো হাসপাতালে অগত্যা গাড়ি তে বসেই অক্সিজেন নিতে হয় বেশ কিছু কোভিড রোগীকে। শেষমেষ নিরুপায় হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় বেশকিছু হাসপাতাল।

দিল্লির এই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির প্রসঙ্গে নয়াদিল্লির শান্তি মুকুন্দ হাসপাতালে সি ই ও সুনীল সাগার কান্না মিশ্রিত কন্ঠে বলেন” যেখানে যত অক্সিজেন সিলিন্ডার ছিল সব আইসিইউতে আনা হয়েছে। হাসপাতালে অন্তত ১১০ জন রোগী অক্সিজেন সাপোর্টে রয়েছেন। আমাদের হাসপাতাল অক্সিজেনের যা স্টক রয়েছে তাতে আর মাত্র ঘন্টাদুয়েক হয়তো দিতে পারব। তাই আমি বাধ্য হয়ে চিকিৎসকদের বলেছি যাদের ডিসচার্জ করা সম্ভব তাদের ছেড়ে দিন এখানে রেখে যদি অক্সিজেনই না দিতে পারি বাঁচাবো কিভাবে!” দিনভর এরকম চিত্রেরই সাক্ষী থাকলো রাজধানী। দিল্লির এই ভয়াবহ অবস্থার প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের তীব্র ভৎসনার মুখে পড়ে কেন্দ্রীয় সরকার। হাইকোর্টের তরফে বলা হয় “বাস্তবের এই ভয়ঙ্কর রূপ দেখেও ঘুম কি ভাঙছে না সরকারের?” গত কুড়ি এপ্রিল এই বিষয়ে দিল্লি হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারকে নির্দেশ পাঠালেও বিন্দুমাত্র কর্ণপাত করেনি কেন্দ্র সরকার বলে ক্ষোভ উগরে দেন হাইকোর্টের বিচারপতি। অবশ্য দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল আর্জিতে কেন্দ্রীয় সরকার দিল্লির অক্সিজেনের কোটা বৃদ্ধি করেছে ইতিমধ্যেই। তাতে কতটা রেহাই মিলবে কোভিড রোগীদের তা নিয়ে চিন্তিত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থেকে শুরু করে চিকিৎসকমহল।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *