Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে জেলা দেশ রাজ্য

অনলাইনে চিকিৎসা

বঙ্গবাণী নিউজ, পূর্ব বর্ধমান: করোনার প্রকোপ থেকে চিকিৎসক ও রোগীদের বাঁচাতে কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তৈরী www.esanjeevaniopd.in এই ওয়েবসাইটটি ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। জাতীয় টেলি কনসালটেন্ট সার্ভিসের এই পরিষেবা নিতে হলে সাইটে গিয়ে একজন রোগীকে রেজিস্ট্রেশন করাতে হচ্ছে। মোবাইল নম্বর দিলে সেই নম্বরে একটি ওটিপি পাঠানো হবে।

কোন নির্দিষ্ট বিভাগের চিকিৎসকের সঙ্গেও এখানে পরামর্শ নিতে পারেন কেউ। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চালু হয়েছে এই ইমেডিকেল সার্ভিস পরিষেবা। যার পোষাকি নাম দেওয়া হয়েছে ই-ওপিডি। রোগীকে অনলাইনে দেখে ই- প্রেসক্রিপশন করে দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। যা পরবর্তী সময়ে রোগী ডাউনলোড করে নিতে পারছেন।
সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা অবধি বারো ঘন্টা এই পরিষেবা চালু রয়েছে মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ও এই প্রজেক্টের নোডাল অফিসার ঋতম রায় বলেন, ‘এই ই-ওপিডি তে ১২ ঘন্টার জন্য চিকিৎসকেরা থাকছেন। দুটো শিফটে ৯টা থেকে ৩টে ও ৩ থেকে রাত ৯টা অবধি চিকিৎসকেরা থাকছেন বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিভাগের। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরাও রয়েছেন এই সময়ের মধ্যে। কোভিড সংক্রান্ত রোগের বিষয়েই মানুষ অনেক বেশী প্রশ্ন করছেন। সমস্যার কথা বলছেন।

চিকিৎসকেরাও তাঁদের সেভাবেই পরামর্শ দিচ্ছেন। প্রেসক্রিপশনও করা হচ্ছে। রোগী সেখান থেকে নিয়ে নিতে পারবেন। অনলাইনেও দেখা হচ্ছে রোগীকে।’ তবে এই ই-ওপিডি নিয়ে এখনও সেভাবে মানুষের মধ্যে সচেতনা বাড়েনি। সাধারণ ওপিডিতে যেভাবে ভিড় হচ্ছে এখনও সেখানে ই-ওপিডি তে রোগীর সংখ্যা কম। ঋতম রায় বলেন, ‘এখনও ই-ওপিডি সম্পর্কে মানুষ সেভাবে জানতে না পারায় দিনে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন ই-ওপিডির পরিষেবা নিচ্ছেন। ভিডিও কলের মাধ্যমে উপসর্গ দেখানোর সুযোগ থাকলে তা চিকিৎসককে দেখাতে পারছেন রোগী। ই প্রেসক্রিপশনের মাধ্যমে তাঁরা প্রয়োজনীয় ওষুধ দোকান থেকে কিনে নিতে পারছেন। এই সংখ্যাটা আরও বাড়তে হবে।

অনেকেই সামান্য সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে আসছেন। যেটা তিনি ঘরে বসেই মিটিয়ে নিতে পারবেন। ক্লিনিক্যালি দেখার প্রয়োজন হলে তখন তাঁকে সংশ্লিষ্ট বিভাগে চিকিৎসকের আসতে বলবেন। ঘরে বসেই যদি সমস্যা মিটে যায়, সুস্থ থাকেন তাহলে কেন বাইরে বের হবেন। এতে সংক্রমণের একটা ভয় থাকে। ই-ওপিডির ক্ষেত্রে সেটা হবে না।’ হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, কোন রোগী যদি মনে করেন ই-ওপিডি থেকে চিকিৎসকদের করে দেওয়া প্রেসক্রিপশনের ওষুধ হাসপাতাল থেকে নেবেন, সেক্ষেত্রে তাঁদের হাসপাতালে এসে ওষুধ নিতে হবে। অন্যথায় তাঁরা নিজেরাও কিনে নিতেন পারেন। সংক্রমন কমাতে, অকারণে হাসপাতালে ভিড় যাতে না বাড়ে তার জন্য এই ব্যবস্থায় অনেকেই উপকৃত হচ্ছেন।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *