হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে রাজ্য

বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া


বঙ্গবাণী নিউজ, পশ্চিম মেদিনীপুর: “পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বিভিন্ন জায়গায় বেআইনি ভাবে, অসাধু উপায়ে বালি ও মোরাম তোলা হচ্ছে। জেলা প্রশসন ও পুলিশ এগুলি বন্ধ করতে পদক্ষেপ গ্রহন করছেন। আমিও বিভিন্ন ব্লকের পর্যালোচনা বৈঠক করে এই অসাধু উপায়ে বালি ও মোরাম তোলার কাজ বন্ধ করতে বলেছি।” ব্লকে ব্লকে জলসম্পদ দপ্তরের পর্যালচনা বৈঠকের পর এমন কথা বলেন রাজ্যের জলসম্পদ উন্নয়ন ও অনুসন্ধান দপ্তরের মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া।

মঙ্গলবার পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর, মেদিনীপুর সদর ব্লক ও শালবনি ব্লকের জনপ্রতিনিধি, আধিকারিকদের নিয়ে দুটি বৈঠকের পর সাংবাদিক সম্মেলনে মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া বলেন, বৈঠকে কিছু কিছু সমস্যা উঠে আসছে। অসৎ উপায়ে বালি, মোরাম তোলার পাশাপাশি দপ্তরে কর্মী, ইঞ্জিনিয়ার কম। এক দপ্তরের আধিকারিকের সঙ্গে অন্য দপ্তরের আধিকারিকদের কমিউনিকেশন গ্যাপ হয়ে যাচ্ছে। যার ফলে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়ছেন। বহু মানুষ ভূমি দপ্তরে আধিকারিকদের কাছে পৌঁছানোর আগে মোহরিদের খপ্পরে পড়ে যাচ্ছেন। সাধারণ মানুষ যাতে মোহরিদের খপ্পরে না পড়েন তা দেখতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, “বিভিন্ন জায়গায় সরকারের তৈরি করা পাম্প বিভিন্ন সমিতিকে চালাতে দেওয়া হয়েছে। কিছু কিছু জায়গায় চাষি, উপভোক্তাদের কাছ থেকে বিদ্যুৎ বিল নেওয়া হলেও সেই টাকা বিদ্যুৎ দপ্তরে জমা পড়ছে না। ফলে সমস্যা হচ্ছে। আমি সব ব্লকে হাত জড়ো করে বলেছি, বিদ্যুৎ বিল বাকি রাখবেন না। সেচের জন্য ডিজেলে চলা রিভার পাম্প গুলিকে আধুনিক করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।”

মানস ভুঁইয়া জানান, “এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে এই দপ্তরের দায়িত্ব দিয়েছেন। তাই নিজের জেলা দিয়ে এই পর্যালোচনা বৈঠক শুরু করেছি। এর পর ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া জেলাতেও যাব। তিনি বলেন, পশ্চিম মেদিনীপুরের মধ্যে খড়্গপুর-১, খড়্গপুর-২ এবং কেশপুর ব্লকের কাজের পারফরম্যান্স ভালো। শালবনি, গড়বেতা, সবং, পিংলা সহ অন্যান্য ব্লক গুলিকে আরও ভালো কাজ করতে হবে। রাজ্যে ৩ লাখ ৪৮ হাজার পুকুর খনন ও সংস্কার হয়েছে দপ্তরের উদ্যোগে। রাজ্যে ৫২ লাখ ৩৭ হাজার হেক্টর কৃষি জমির ৮০ শতাংশ জমিতে সেচের জলের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এধরণের কাজ আরও করা হবে। তবে একথা মনে রাখতে হবে মাটির নীচের জল যত কম সম্ভব ব্যবহার করতে হবে। মাটির উপরের জলকে বেশী করে কাজে লাগাতে হবে। আমাদের দপ্তর তাই ‘জল ধরো, জল ভরো’ প্রকল্পে জোর দিয়েছে।”

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *