www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে জেলা রাজ্য

বৃষ্টিরজমা জলে ভাসছে কেশপুর বাজার

বঙ্গবাণী নিউজ,পশ্চিম মেদিনীপুরঃ ভোর থেকে টানা বজ্র-বিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি। বেহাল নিকাশি। বৃষ্টির জমা জলে ভাসছে কেশপুর বাজার। কেশপুর থানা সংলগ্ন সুপার মার্কেট থেকে বাস স্ট্যান্ড, বিডিও অফিস যাওয়ার রাস্তায় জল জমে রয়েছে হাটু সমান। পাশে ১০ নম্বর কেশপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়। জল ঢুকেছে পঞ্চায়েত কার্যালয়ের একতলায়। জল মগ্ন বাজারের কিছু বাড়িও।

  

অতি বৃষ্টির ফলে জলমগ্ন বিভিন্ন গ্রাম। জলে ডুবেছে বাদাম, তিল, সবজি সহ গ্রীষ্মকালীন ফসল। ক্ষতিগ্রস্ত বেশ কয়েকটি মাটির বাড়ি। সোমবার ভোর থেকেই শুরু হওয়া বৃষ্টিতে ধলহারা, পঞ্চমী, খিরিশমুল সহ বিভিন্ন গ্রামে জল জমতে শুরু করেছে। কেশপুর ব্লক এর ১০ নম্বর অঞ্চলের বেলডোবা গ্রামে হঠাৎ এমনই জল জমতে দেখে আতঙ্কিত এলাকার মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দা শেখ রবিয়াল বলেন, ‘সকালে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির বাইরে বেরিয়েই দেখি চারি দিকে জল আর জল। কিছুটা দূরেই পারাং নদী। মানুষ আতঙ্কিত। বুঝে উঠতে পারছিনা, নদী বাঁধ ভেঙে গ্রামে জল ঢুকল কিনা!’ 

একই অবস্থা, ধলহারা, খিরিশমুল, পঞ্চমী গ্রামেও। জলে ডুবে গেছে বাদাম, তিল সহ খেতের ফসল। জল থেকে সেই ফসল তোলার চেষ্টা করছেন দুর্গত মানুষ জন। কেউ কেউ গরু বাছুর নিয়ে মাটির বাড়ি ছেড়ে নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে যাচ্ছেন।

গ্রামগুলি পাশাপাশি আতঙ্ক ছড়িয়েছে কেশপুর বাজারেও। সকালে বৃষ্টি থামলেও, বেলা যত বাড়ছে, বাজারে জল জমতে শুরু করেছে কেশপুর বাজারে। কেশপুর বাজারের ব্যবসায়ী শেখ সাইফুল বলেন, ‘কয়েক বছর আগে এর ছেয়েও ভয়ঙ্কর অবস্থা হয়েছিল। সকালে বাজারে এসে দেখা যায় এক কোমর জল জমেছে। অধিকাংশ দোকানে জল ঢুকে গিয়েছিল। ফের আবার একই অবস্থা দেখা গেল। তবে সেবারের তুলনায় এবার অনেকটা কম।’

ব্যবসায়ী রঞ্জন দোলই, রঞ্জিত দাস রা বলেন, করোনা পরিস্থিতির জন্য দোকান পাঠ খোলা ১০ টা পর্যন্ত। সকাল সকাল বাজারে এসে দেখি এই বস্থা। রাস্তার উপরে হাটু সমান জল। জল ভেঙেই বাজারে আসা লোকজন সাইকেল, মোটর বাইক ও পায়ে হেঁটে যেতে হচ্ছে জল পেরিয়ে। পঞ্চায়েতের কর্মীরাও জল ভেঙে পৌঁছেছেন অফিসে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কথায়, ‘বাজারের নিকাশি ব্যবস্থা ঠিক ঠিক না থাকার কারনেই অতিরিক্ত বৃষ্টি হোলে জল জমে যায় এভাবে। তবে কয়েক ঘন্টার মধ্যে জল নেমেও যায়।’

:

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *