Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে জেলা

গদ্দার -মীরজাফরদের কি এবার কোন শাস্তি হবে?

বঙ্গবাণী ব্যুরো ডেস্ক: বঙ্গে ভোটযুদ্ধ প্রায় শেষের মুখে ট্রেন্ডে বোঝায় যাচ্ছে নবান্নে ফের হাওয়াই চটি । তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দোপাধ্যায় তৃতীয়বারের জন্য ফের বাংলার সিংহাসনে বসতে চলেছেন। এবারের একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বঙ্গযুদ্ধে প্রতিদ্বন্দিতায় ছিল রাজ্যের ক্ষমতাসীন শাসকদল তৃণমূল বনাম গেরুয়া শিবির আর সংযুক্ত মোর্চার মধ্যে। ফল ঘোষণার আগেই বিভিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষার ফল কিন্তু দেখিয়েছিল শাসক দলই ফের ক্ষমতায় আসবে।বেলা বাড়ার সাথে সাথে সেই সমীক্ষায় কার্যত সফল হয়েছে বলা চলে। এখনও পর্যন্ত তৃণমূল ২১৪ টি আসন পেয়েছে বিজেপি ৭৫ টি আসন।তবে এবারের নির্বাচনের মূল কেন্দ্রভূমি ছিল নন্দীগ্রাম।একদিকে তৃণমূলের হয়ে লড়েছে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।অন্যদিকে তাঁর প্রতিদন্ধী ছিল সদ্য বিজেপি যোগ দেওয়া শুভেন্দু অধিকারী। ভোটের গননা শুরু হওয়া মাত্রই গোটা রাজ্যবাসীর নজরে ছিল হটস্পট নন্দীগ্রাম।নন্দীগ্রামের শেষ গণনার দিকে তাকিয়ে ছিল রাজ্যবাসী।

প্রসঙ্গত, বিধানসভা নির্বাচনের আগেই তৃণমূলের একাধিক নেতা নাম লেখান গেরুয়া শিবিরের খাতায়। তাঁর মধ্যে অন্যতম নাম উঠে এসেছিল শুভেন্দুর।একসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কাজ করেও তিনি মোদী সরকারের হাত ধরে চলে যান গেরুয়া শিবিরে।তখন থেকেই তিনি বঙ্গের বুকে গদ্দার -মীরজাফর নামে পরিচিত পেয়ে যান।শুধু তিনি নয় তাঁর হাত ধরে পরে যারা দলত্যাগী হন তাঁরাও ওই একই নামে ভূষিত হন।সারা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ধরা পড়ে গদ্দার -মীরজাফর লেখা পোস্টার। কার্যত শোরগোল পড়ে যায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের অন্দরে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একাধিক জনসভায় প্রচারে গিয়ে টেনে এনেছিলেন এই সমস্ত দলত্যাগী গদ্দার -মীরজাফরের প্রসঙ্গ। নন্দীগ্রামের জনসভায় অধিকারী পরিবারের দিকে আঙুল তুলে বলেছিলেন”, আমাকে এতদিন নন্দীগ্রামের মানুষের কাছে আসতে দেওয়া হয়নি।বাবা ছেলে মিলে সব চালাত এতদিন।এটা আমারই ভুল ছিল আমি তাদের উপর আশ্বাস রেখেছিলাম”।তিনি বার বার আস্থা রেখেছিলেন নন্দীগ্রামের মানুষের উপর।আজ বিধানসভা নির্বাচনের ফল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আস্থাকে বিশ্বাসে রূপান্তরিত করে দিয়েছে একথা বলতে কোনো দ্বিধা নেই বলেই মনে করছেন ঘাসফুল শিবির।আপাতত সেরকমই ইঙ্গিত উঠে আসছে এখনও পর্যন্ত। এখন তৃতীয় বারের জন্য ক্ষমতায় ফিরলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলত্যাগী এই সমস্ত গদ্দার -মীরজাফরের জন্য কী ধরনের শাস্তি তুলে রেখেছে সেই প্রশ্নই জাগছে রাজ্যবাসীর অন্তরে।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *