www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে

বিশ্বের তৃতীয় স্থান অর্জন পাকিস্তানের

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: গাধার পপুলেশনে পাকিস্তান বিশ্বে তৃতীয় স্থানাধিকারি। পাকিস্তানের একটি দৈনিক চ্যানেল জিওটিভি রিপোর্ট অনুযায়ী চলতি বছরে পাকিস্তানি গাধার সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১.৯ মিলিয়ন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রতিবছর ১০ লক্ষ গাধার বৃদ্ধির মুখোমুখি হচ্ছে পাকিস্তান।

এছাড়াও পাকিস্তানে মহিষের জন্ম সংখ্যায় ১.২ মিলিয়ন গতি বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মেষের জন্ম সংখ্যায ৩১.২ থেকে ৩১.৫ মিলিয়ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতি বছর চার লাখের বেশি গবাদি পশু এবং গাধার সংখ্যার মুখোমুখি হচ্ছে পাকিস্তান, এই পরিসংখ্যানটি প্রথম প্রকাশ করেছিল পাঞ্জাব প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে ২০২১ সালে সামগ্রিকভাবে গবাদি পশুর সংখ্যা ১.৯ বিলিয়ন বৃদ্ধি পেয়েছে। মূলত পাকিস্তানের লাহোরে পশুর ব্যবসা বিশেষভাবে চলে। শুধুমাত্র লাহোরেই ২০২০ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে প্রায় ৪১০০০ গাধার জন্ম হয়েছে। গাধাগুলি পণ্য লোডিং এবং আনলোডিং এর কাজে ব্যবহার করেন মালিকেরা। গাধার মালিকরা জানিয়েছেন প্রত্যেকদিন প্রায় হাজার টাকা করে ইনকাম তাদের হয় ওই গাধা গুলিকে কাজে লাগিয়ে। এএনআই এর রিপোর্ট অনুযায়ী অর্থনৈতিক জরিপের উদ্ধৃতিতে প্রত্যেক গাধার মালিকের প্রায় ৩৫ থেকে ৫৫ হাজার টাকা ব্যয় করেও প্রত্যেক দিন হাজার টাকার ব্যবসা করেন গাধার মালিকেরা। তাদের মধ্যে একজন মালিক জানিয়েছেন “আমাদের এখানে গাধার ব্যবসা খুব ভালো চলে। এক একটি গাধা বিক্রি করেও আমরা যথেষ্ট লাভ লাভবান হই।” ইতিহাস সাক্ষী আছে দাসব্যবস্থার ফলাফলের জন্য। মানুষের মত সর্বোন্নত জীব প্রাকৃতিক সম্পদ যথেচ্ছভাবে ব্যবহার করে চলেছে নিজের সুবিধার্থে। আর সর্বোন্নত বলেই মানুষ গাধাদেরও নিজেদের দাস বানিয়ে ফেলেছেন সেই ইতিহাস থেকেই। যদিও সেই গাধাদের জন্যই, থুরি, দাসেদের জন্যই বিশ্বে একটি স্থান অবশ্য পাকিস্তানের বরাদ্দ।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *