হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে

করোনা ভাইরাস সেজে সচেতনতা প্রচারে সাইকেল নিয়ে জেলায় জেলায়

সায়ন্তী মন্ডল, পশ্চিম মেদিনীপুরঃ একেবারে জীবন ভাইরাস ঘুরে বেড়াচ্ছে রাস্তায়। মাস্ক বিহীন লোকজন দেখলেই, তাঁকে ঘিরে জিজ্ঞাসা। মাস্ক পরতে বাধ্য করছে। রাস্তায় ভাইরাসকে ঘুরে বেড়াতে দেখে অনেকেই চমকে উঠছেন, আবার  অনেক মানুষ সামনে গিয়ে ছবি তুলছেন তার সাথে। মারণ ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে অভিনব প্রচারে নেমেছেন পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনার প্রত্যন্ত গ্রামের এক সাধারণ কৃষক তৃণাঙ্কুর পাল। সাইকেল নিয়ে জেলায় জেলায় সচেতনতা প্রচারে বেরিয়ে পড়েছেন। শুধু করোনা নয়, যে কোনো সচেতনতা মূলক প্রচারেই রাস্তায় দেখা যায় তাঁকে।

চন্দ্রকোনার যাদবপুর গ্রামের তৃণাঙ্কুর পাল। বয়স বছর ৪৫ হবে। দেশজুড়ে ভয়ঙ্কর করোনা সংক্রমণের আতঙ্কের মাঝেই তিনি সচেতনতা বার্তা নিয়ে সাইকেলে চড়ে জেলায় জেলায় প্রচারের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েছেন। শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনার গ্রামের বাড়ি থেকে বেরিয়ে হুগলী হয়ে বাঁকুড়ার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছেন।

নিজের গাঁটের কড়ি খরচ করে জন সাধারণকে সচেতনতা প্রচার করায় তার নেশা। গতবছরও  করোনা ভাইরাসের বাড়াবাড়ির সময় হাওড়া, কলকাতা ২৪ পরগনা জেলায় সচেতনতা প্রচার করেছেন বলে দাবি, তৃণাঙ্কুরের। গতবারও অনেকে মাস্ক, স্যানিটাইজার দিয়ে সহযোগিতা করে ছিলেন, সেগুলি সাধারণ, দুঃস্থ মানুষজনকে বিতরণ করেছেন প্রচারে বেরিয়ে।

শুক্রবার সকালে তৃণাঙ্কুরের বাড়িতে সাজো সাজো রব। তৃণাঙ্কুর সচেতনতা প্রচারে যাবেন, স্ত্রী, দুই মেয়ে ও ছেলে তৃণাঙ্কুর কে তাঁকে সাজিয়ে দিতে ব্যস্ত। বাড়ির সকলেই খুশি তাঁর এই উদ্যোগে।

কেন এমন উদ্যোগ? তৃণাঙ্কুর বলেন, ‘আবার যে করোনা ভাইরাসের প্রকোপ বেড়েছে। মানুষজনকে সচেতন করতে হবে। মানুষের সচেতনতা ছাড়া এর থেকে যে রেহাই নেই। তাই আবারও বেরিয়ে পড়ছি। অভাবের সংসারে যতদিন পারবো প্রচার করে ফিরবো। প্রয়োজনে আবার যাবো।’

জানা গিয়েছে, এবার গন্তব্য বাঁকুড়া, দুর্গাপুর, তারকেশ্বর, বিষ্ণুপুর, সহ একাধিক এলাকা। চন্দ্রকোনার যাদবপুর গ্রামের বাসিন্দা তৃণাঙ্কুর পাল, পেশায় কৃষক, কিন্তু ছোটবেলা থেকে তাঁর নেশা এধরণের সং সাজা ও সচেতনতা প্রচার করা। শুধু করোনা নয়,  ডেঙ্গুর সময় ডেঙ্গুর সচেতনতা, এমনকি যখনই  কেই বিপদের সম্মুখীন হতে চলেছে সাধারন মানুষ, তখনই সচেতনতা মূলক প্রচারে বেরিয়ে পড়েব তিনি। এলাকার মানুষও তাঁর এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন।

তৃণাঙ্কুরের স্ত্রী বলেন, ‘স্বামীর এই ধরনের কাজে আমি খুশি। আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে ওকে কখনো বাধা দিই না। বরং উৎসাহ দিই।  ওকে দেখে যদি মানুষ কিছুটা সচেতন হয়।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *