www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে

করোনা মাতার মন্দির বেআইনি ভাবে নির্মিত, ভেঙে গুঁড়িয়ে দিল পুলিশ

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে করোনা মাতার পূজার্চনা শুরু করেছিলেন উত্তরপ্রদেশের শুক্লাপুরের গ্রামবাসীরা। কিন্তু নিম গাছের তলায় হলুদ মন্দিরে পরনে লাল শাড়ি এবং মুখে সবুজ মাস্ক নিয়ে করোনা মাতা দীর্ঘায়ু হলেন না। উত্তরপ্রদেশের প্রতাপগড় জেলার ওই গ্রামে ৭ই জুন তৈরি করা হয় করোনা মাতার মন্দির। আর তৈরির পাঁচ দিনের মধ্যেই ভেঙে দেওয়া হল সেই মন্দির। দেবতার জন্মের সাথেই হলুদ রঙের ফল, ফুল, মিষ্টি দেবীর চরণে নিবেদন থেকে শুরু করে সামাজিক দূরত্ব মেনে মাস্ক পড়ে হাতে স্যানিটাইজার বা সাবান দিয়ে ধুয়ে পুজো দেওয়া অনেক রকম নিয়ম চালু হয়েছিল। তবে শুক্রবার রাতে ওই মন্দির ভেঙে ফেলায় স্থানীয়দের মন খারাপ, তাদের অভিযোগ পুলিশ দায়িত্ব নিয়ে মন্দিরটি ভেঙে দিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর বেআইনিভাবে ওই এলাকায় মন্দির নির্মাণ করা হয়েছিল। ওই জমিতে অবৈধভাবে মন্দির স্থাপনের জন্যই মন্দির ভেঙে দেওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে লোকেশ কুমার শ্রীবাস্তব, নগেশ কুমার শ্রীবাস্তব ও জয়প্রকাশ শ্রীবাস্তব নামের তিনজন ব্যক্তির নামে ওই জমির মালিকানা রয়েছে। নগেশ কুমার শ্রীবাস্তবের অভিযোগ জমি দখল করার জন্যই লোকেশ কুমার শ্রীবাস্তব গ্রামবাসীদের দিয়ে করোনা মাতার মন্দিরটি নির্মাণ করিয়েছিলেন। এই মন্দিরের পুরোহিত ছিলেন রাধে শ্যাম বর্মা। গ্রামবাসীদের বক্তব্য ছিল করোনা মাতার মন্দির স্থাপনে তারা অনেকটা স্বস্তিতে আছেন। আর এই মন্দির ভেঙে দেওয়ার পর গ্রামবাসীদের মধ্যে একজনের অভিযোগ করোনা মাতার আরাধনা করার সিদ্ধান্ত গ্রামের সকলে মিলেই নেওয়া হয়েছিল। করোনা বহু মানুষের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। আর যাতে সেই আঘাত না আসতে পারে তাই জন্যই এই মন্দির স্থাপন করা হয়েছিল। করোনা বিপদে করোনা মাতা ছাড়া এখন কে বাঁচাবে তাই নিয়ে এখন চিন্তায় গ্রামবাসীদের।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *