হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে রাজ্য

সুনীল মণ্ডলের সঙ্গে কি প্রতারণা করেছেন শুভেন্দু?

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: গত দুদিন আগে রাজভবনে একটি বৈঠকের আয়োজন করেন শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু সেদিন তিনি বিজেপির সমস্ত বিধায়ককে সেই বৈঠকে পাননি। প্রায় ২৪ জনের বেশী বিধায়ক সেদিন অনুপস্থিত ছিলেন। সূত্রের খবর, সেই ২৪ জন বিধায়ক তৃণমূলের সাথে গোপনে যোগাযোগ স্থাপন করছেন। এদিন সেই ২৪ জনের মধ্যেই কিছু জন বিধায়ককে নিয়ে বর্ধমান পূর্বের সাংসদ সুনীল মণ্ডল বর্ধমানের উল্লাসে তার নিজের বাসভবনে একটি বৈঠকের আয়োজন করেছিলেন। যদিও কারা সেই বৈঠকে হাজির ছিলেন তাদের নাম জানা যায়নি।

এ প্রসঙ্গে সুনীল মণ্ডল বলেন, “আমাদের রাজনৈতিক ভবিষ্যত নিয়ে আমরা আলোচনায় বসেছি। এসসি, এসটি সেলের কিছু জন এখানে উপস্থিত আছেন । আছেন কিছু বিধায়কও।” সংবাদমাধ্যমে তরফে উপস্থিত বিধায়কদের নাম জানতে চাওয়া হলে সুনীল মণ্ডল পরিষ্কার করে কিছু বলতে চাননি। তিনি বলেন, “অপেক্ষা করুন , ঠিক জানতে পারবেন।”


তবে সংবাদমাধ্যমের কাছে তিনি শুভেন্দু অধিকারীর এবং বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন। তিনি বলেন, শুভেন্দু অধিকারী এখন আর তার ফোন ধরেন না। এমনকি নির্বাচনের আগে তার কাঁকসার বাড়িতে মায়ের শ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসা শুভেন্দু অধিকারীর সাথে তার যে রুদ্ধদ্বার আলোচনা হয় সেই আলোচনার কোনো কথা শুভেন্দু অধিকারী রাখেননি।
তাহলে কি আপনার সাথে প্রতারণা করেছে শুভেন্দু?
এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “আমি শুভেন্দুর নাম নিতে চাইনা। প্রতারণা করেছে কি করেনি সব উত্তর পাবেন ।”

বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ” আসলে যারা তৃণমূল থেকে গিয়েছে তাদের মানিয়ে নিতে পারছে না বিজেপি। আর পরিস্কার করে বললে বলা উচিত সহ্য করতে পারছে না। বিজেপি মনে করছে এদের বিশ্বাস করা ঠিক হচ্ছে না। তথাগত রায় বলেছেন। দিলীপ ঘোষ বলেছেন। দিলীপ ঘোষ এমনও বলেছেন, যারা ২০১৯ সালে বিজেপিতে এসেছে তারা আগে বিজেপি হোক। এসব কি রাজনৈতিক কথা? এসব কথা বলা অন্যায়।”
তাহলে দল ছেড়েছিলেন কেন?
এই প্রশ্নের উত্তরে বর্ধমান পূর্বের বিধায়ক সাংবাদিকদের বলেন, ” আমরা ভেবেছিলাম বিজেপি বড় সাংগঠনিক দল। আমরা তখন বুঝিনি। কারণ আমরাও সংগঠন করা লোক। পরে দেখলাম ওদের বুথ লেভেলেই সংগঠন নেই। এবারের ভোটে মুসলিম সমাজ একজোট হয়ে গিয়েছিল বিজেপির ঘোর বিরোধের জন্য। অনেকে মুসলিম আমাদের সঙ্গে ছিল। তাদের রাখতে পারেনি বলেই এই অবস্থা। পচা শামুকে পা কাটে। একটা ভোটের অনেক দাম বিজেপি যদি এটা ভাবতো তাহলে ভালো হতো। বাইরের রাজ্য থেকে যারা এসেছিল তারা বাংলার মানুষকে বোঝে? দুদিনে তারা বাংলার কি বুঝবে? ভাষাগত সমস্যা বড় বিষয় । আমি সাত বছর এমপি হয়েছি। এখনো ভালো করে হিন্দি বলতে পারি না। বাইরের লোকেরা এসে হিন্দিতে এত কথা বলে বেড়ালেন। গ্রামের লোকেরা সেসব বুঝেছে ? শুধুই মিটিং মিছিল করলে হবেনা। মানুষের কাছে পৌঁছাতে হবে।”

অর্থাৎ সুনীল মন্ডলের গলায় কার্যত স্পষ্ট হয়ে উঠল তার বিজেপি বিরোধিতার সুর।

সুনীল মন্ডলের এই সুর পরিবর্তনে কটাক্ষ করে তৃণমূলের রাজ্য কমিটির মুখপাত্র দেবু টুডু বললেন, “বিধানসভা নির্বাচনে একশ্রেণীর সুবিধাবাদী নেতারা তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলেন তারা ক্ষমতায় চলে আসছে। বিজেপি আসেনি। আর আসবেও না। তাই মোহভঙ্গ হয়েছে সেই অসভ্য বর্বর গদ্দারদের। সেই বেইমানরা আবার দলে ফিরতে চাইছে। এই সুনীল মন্ডলের সদস্যপদ বাতিল করার জন্য আবেদন করা হয়েছে। যতই নিবেদন আবেদন করুক সদস্যপদ খারিজ হবে। সুনীল মণ্ডল এর মতন বেইমান গদ্দার আমাদের দলে থাকতে পারবে না।”

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *