হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

রাজ্য

দিশেহারা তাঁত ও কাঁসা শিল্পীদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিলেন রাজ্যের ক্ষুদ্র কুটির শিল্প মন্ত্রী



বঙ্গবাণী নিউজ, পশ্চিম মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার রামজীবনপুর পৌরসভার ১,২,৩,৫ নম্বর ওয়ার্ডের প্রায় শতাধিক পরিবার তাঁত শিল্পের উপর নির্ভরশীল। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এমনিতেই আর্থিক অনটনে ভুগছিল তাঁতশিল্পের, তার উপরে প্রায় দুই বছর ধরে করোনার জেরে লকডাউন। চাহিদা নেই তাঁতের কাপড়ের। এমনকি বাইরেও যাচ্ছে না তাঁতের কাজ। তাই সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছে তাঁত শিল্পীরা। সংসার চালাতে অনেকে তাঁতের কাজ ছেড়ে সবজি বিক্রি , ফুচকা করছেন। এক কথায় বিকল্প পথ খুঁজছেন তারা।

একটি তাঁতের কাপড় বুনতে একজন শিল্পীর সময় লাগে ১০ থেকে ১২ ঘন্টা । মজুরি পাওয়া যায় ১৭৫ থেকে ২০০ টাকা। তার উপর করোনার কামড় বসিয়ে তাঁত শিল্পে পরিবহন বন্ধ থাকায় কাঁচামাল নিয়ে আসা এবং কাজগুলি বাইরে পাঠাতে অসুবিধায় পড়তে হচ্ছে শিল্পীদের।। তাঁত শিল্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন নতুন প্রজন্মের ছেলে থেকে প্রবীণরাও। অনেকেই সংসার চালাতে বিকল্প পথ খুঁজে নিচ্ছেন।

তাঁত শিল্পীদের পাশে এসে দাঁড়ালেন রাজ্যের ক্ষুদ্র কুটির শিল্প মন্ত্রী শ্রীকান্ত মাহাতো। তাঁত শিল্পীদের দুর্দশার কথা শুনে তাঁত শিল্পের আধুনিকীকরণ করে কিভাবে বেশি উপার্জন করা যায় তার যথাযথ ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দেন কুটির শিল্প মন্ত্রী। শুক্রবার তিনি রামজীবনপুর পৌর এলাকার সমস্ত তাঁত শিল্পীদের বাড়ি বাড়ি যান, তাদের সাথে কথা বলেন এমনকি কিভাবে তাঁতের কাজকে এগিয়ে নিয়ে যায় যাওয়া যায় সেদিকেও নজর দেবেন বলে তিনি জানান ।

যদিও তাঁত শিল্পীদের দাবি এখনও পর্যন্ত সরকার তাদের দিকে কোনো গুরুত্বই দেয় নি । তাই তাঁত শিল্পীদের এই পরিস্থিতি। তাদের দাবি দ্রুত সরকারি সাহায্যের।
রামজীবনপুর পৌরসভার প্রশাসক নির্মল চৌধুরী জানিয়েছেন মন্ত্রী সাহেব এসে দেখে গেছেন। তিনি আধুনিকীকরণ করার কথাও বলেছেন। তাঁত শিল্পের আধুনিকীকরণ করে তাঁত শিল্পকে কিভাবে বাঁচানো যায় তার ব্যবস্থা খুব দ্রুতই নেওয়া হবে।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *