Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

রাজ্য

রাষ্ট্রবিজ্ঞান জানি, কিন্তু কেন্দ্র কোন বিজ্ঞান মেনে টাকা বরাদ্দ করে আমার জানা নেই: মমতা

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় কেন্দ্র-রাজ্য সংঘাত। করোনা মোকাবিলা নিয়ে সংঘাতের মাঝেই ফের ঘূর্ণিঝড় ইয়াশকে নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের সংঘাত শুরু। মুখ্যমন্ত্রী আর্থিক বঞ্চনার অভিযোগ তুললেন কেন্দ্রের উদ্দেশ্যে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলা করার জন্য বিভিন্ন রাজ্যের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সোমবার ভিডিও কনফারেন্স এ বৈঠক করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।  যেখানে তিনি জানান ইয়াশের ক্ষতি সামলাতে ওড়িষ্যা ও অন্ধ্র প্রদেশকে আগাম ৬০০ কোটি টাকা অর্থ সাহায্য বরাদ্দ করেছে কেন্দ্র যেখানে পশ্চিমবঙ্গের জন্য বরাদ্দের পরিমাণ মাত্র ৪০০ কোটি টাকা। আর তাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গকে অর্থসাহায্যে বঞ্চনার অভিযোগ তোলেন কেন্দ্রের প্রতি।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন , ‘পশ্চিমবঙ্গকে কেন আগাম অর্থসাহায্যে বঞ্চনা করা হচ্ছে সেটা বৈঠকে জানতে চেয়েছিলাম। উনি বললেন, মমতাজী এই বিষয়ে আমরা পরে কথা বলব। এটা  সায়েন্টিফিক ভিউ পয়েন্ট  দিয়ে ঠিক করা হয়। যার পরে আর কিছু বলিনি।  কারণ পলিটিক্যাল সায়েন্স এর সম্পর্কে আমি জানি কিন্তু এই সাইন্স সম্পর্কে তো সেভাবে জানা নেই।’

এই ভিডিও কনফারেন্সের পর নবান্নের সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘ওড়িষ্যা ও অন্ধপ্রদেশ কে দেওয়া হচ্ছে ৬০০ কোটি টাকা, সেখানে বাংলাকে ৪০০ কোটি টাকা । আমি তুলনা করার পক্ষপাতী নই । ওড়িষ্যা, অন্ধ্রপ্রদেশ পশ্চিমবঙ্গের পড়শী বোনের মত রাজ্য। তাদের টাকা দিতেই পারে কেন্দ্র। তা নিয়ে আমার কোন সমস্যা নেই । কিন্তু বাংলার সঙ্গে বঞ্চনা কেন? ওনারা বলেছিলেন সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবেন। কিন্তু যখন আগাম অর্থ দেওয়ার বিষয় এলো তখন দেখা যাচ্ছে রাজ্য ভেদে আলাদা পরিমাণ টাকা দেওয়া হচ্ছে।’ এই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি আমফানের সময়ের আর্থিক বঞ্চনার প্রসঙ্গও টেনে আনেন মুখ্যমন্ত্রীর কথায় ‘আমফানের সময় বলা হয়েছিল আর্থিক সাহায্য করা হবে ।রাজ্যের টাকা থেকেই রাজ্যকে সাহায্য করা হয়েছিল। আমরা বারবার বঞ্চিত হবো কেন?’ এদিন সাংবাদিক বৈঠকে বিভিন্ন সময়ের আর্থিক বঞ্চনার কথা জানালেও মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন সাহায্য পাওয়া যাবে না যাবে না তিনি জানেন না।  তবে  ঝড় থেমে যাওয়ার পরে ফিল্ড সার্ভে করে যা প্রয়োজন তা কেন্দ্রকে জানানো হবে।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *