হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে রাজ্য

টাকা নেই, বন্ধ ঘাস লাগানো

বঙ্গবাণী নিউজ, লাটাগুড়ি : অর্থের অভাবে গরুমারা জাতীয় উদ্যানে নতুন ঘাস ও গাছ লাগানো যাচ্ছে না। বন দপ্তর সূত্রে এমনটাই জানানো হয়েছে। সম্ভবত চলতি বছরই প্রথম গরুমারার তৃণভোজী প্রাণীদের জন্য ঘাস লাগানোর কাজ বন্ধ রইল। ফলে তাদের খাদ্যের ভাড়ারে টান পড়তে পারে বলে আশঙ্কা ওয়াকিবহাল মহলের। ঘাস ও গাছ লাগানোর সময় পেরিয়ে গেলেও অর্থের জোগান হলেই কাজ শুরু হবে বলে আশা স্থানীয় বনকর্তাদের। যদিও গরুমারা বন্যপ্রাণী বিভাগের বনকর্তারা এ বিষয়ে স্পষ্টভাবে মুখ খুলতে নারাজ। রাজ্য বন দপ্তর বিভাগের চিফ ওয়াল্ডলাইফ ওয়ার্ডেন বিনোদকুমার যাদব বলেন , এ ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি ফোন না তোলায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।

বন দপ্তর সূত্রে খবর, এই মুহূর্তে গরুমারা জাতীয় উদ্যানে প্রায় পঞ্চাশটির ওপর গন্ডার , দেড় হাজারের ওপর বাইসন, বেশ কয়েকটি প্রজাতির হরিণ, বহু হাতি ছাড়াও বহু প্রাণী আছে।

প্রতিবছর জঙ্গলের বিভিন্ন স্থানে চেপটি, মালসা, ঢাড্ডা প্রজাতির ঘাস ও গাছ লাগানো হয়।
বর্ষার জলে এই ঘাস ও গাছগুলি যাতে সহজে বেড়ে উঠতে পারে, তাই বর্ষার আগেই এসব কাজ শেষ করে ফেলা হয়। তবে চলতি বছরের পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। এ বছর গরুমারায় ৬৭ হেক্টর জমিতে ঘাস ও ২৮ হেক্টর জমিতে গাছ লাগানোর তথা ছিল। সেই মোতাবেক জায়গা চিহ্নিত করে গাছ ও ঘাস লাগানোর উপযুক্ত করে তোলা হয়েছিল। অর্থের সংস্থান না হওয়ায় সময় পেরিয়ে গেলেও এখনও সেসব লাগানো সম্ভব হয়নি। ফলে সেখানকার বিপুল সংখ্যক তৃণভোজী প্রাণীর খাদ্যে টান পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। দ্রুত এই বিষয়ে অর্থ মঞ্জুর করে ঘাস ও গাছ লাগানোর আবেদন জানিয়েছেন পরিবেশপ্রেমীরা। স্থানীয় গ্রিন লেভেল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সম্পাদক অনির্বাণ মজুমদার অভিযোগ করেন, “প্রতিদিনই বন্যপ্রাণীরা খাদ্যের অভাবে লোকালয়ে বেরিয়ে পড়ছে। এবার তৃণভোজীদের খাবারের ঘাস না লাগানোয় সমস্যা জটিলতর হতে পারে। অর্থ মঞ্জুর করে ঘাস ও গাছ লাগানোর দাবি জানাচ্ছি।”

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *