হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে রাজ্য

‘গণতন্ত্রে নজিরবিহীন’ মুখ্যমন্ত্রী কড়া চিঠি রাজ্যপালের

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: বিধানসভা নির্বাচনের পর ফের মুখ্যমন্ত্রী-রাজ্যপাল সমস্যা। দিল্লি সফরের আগে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় কড়া ভাষায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখেছেন। কেউ মনে করছেন এই চিঠি হল ভোট পরবর্তী হিংসা, কেউ মনে করছেন এই চিঠি রাজ্যপালের ক্ষোভের প্রকাশ। মাননীয় রাজ্যপালের মতে সিবিআই এর দপ্তরে মুখ্যমন্ত্রী এমন ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি। আবার রাজ্যপালের চিঠির পাল্টা উত্তর দিতে ব্যস্ত রয়েছে তৃণমূল নেতৃত্বও।

ট্যুইট করে মাননীয় রাজ্যপাল দিল্লি সফরের কথা জানিয়ে লিখেছেন “ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে নীরবতা ভাঙুক। মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যে আইন-শৃঙ্খলা সামাল দিতে তিনি দুর্গতদের ত্রাণের ব্যবস্থা করুক। দ্রুত এ নিয়ে আলোচনায় বসুন মুখ্যমন্ত্রী।” তবে এখানেই শেষ নয়। পরবর্তী ট্যুইটে তিনি লিখেছেন “রাজ্যে চরম রাজনৈতিক হিংসা, মহিলাদের উপর অত্যাচার, মানবাধিকার লঙ্ঘন, রাজনৈতিক বিরোধীদের ওপর অত্যাচারের মতো ঘটনা ঘটছে। স্বাধীনতার পরবর্তী সময় সবচেয়ে খারাপ সময় এবং গণতন্ত্রের পক্ষে অশুভ।” নির্বাচন পূর্ববর্তী এবং নির্বাচন পরবর্তী বিভিন্ন ঘটনা তিনি চিঠিতে তুলে ধরেছেন। নারদ কান্ডে দুই মন্ত্রীসহ চারজনের গ্রেফতারের পর সিবিআই দপ্তরে নিজাম প্যালেসে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ‘গণতন্ত্রে নজিরবিহীন’ বলে দাবি করেছেন তিনি।

সোমবার রাজনৈতিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে শুভেন্দু অধিকারীর সাথে বৈঠক করেছেন রাজ্যপাল। মঙ্গলবার ট্যুইট করে দিল্লী সফরের কথা জানানোর পর রাজনৈতিক মহলের একাংশের মনে করছেন অমিত শাহ এবং প্রধানমন্ত্রীর সাথে বৈঠক হতে পারে রাজ্যপালের। এমনিতেই দলবদলের খেলা খেলতে এবং দেখতে ব্যস্ত প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিত্ব। এমন সময় রাজ্যপালের দিল্লি সফর যে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এবং নজিরবিহীন তা বলাই বাহুল্য।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *