হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে রাজ্য

বিজেপির নেতা-কর্মীদের কাজে নিষ্ক্রিয়তায় অসন্তুষ্ট দিলীপ ঘোষ

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: ২০২১ এর বিধানসভা ভোটে ভরাডুবির পর বিজেপি থেকে বহু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তৃণমূলে ফিরে আসছেন। দলীয় সাংগঠনিক বৈঠকের জন্য বহুবার ভার্চুয়াল বৈঠকের আয়োজন করা হলেও অনেকেই উপস্থিত থাকছেন না ওই বৈঠকে। এমনই পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। বিধানসভা নির্বাচনের আগে অনেকেই তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করলে দিলীপ ঘোষের বক্তব্য ছিল বিজেপি বিধানসভা নির্বাচন জিতবেই। কিন্তু নির্বাচন হারের পর একে একে দলবদলুদের অনুপস্থিতির জন্য বিরক্তি প্রকাশ করে তিনি বলেছেন “ঘরে বসে চা-মুড়ি খেতে খেতে রাজনৈতিক নেতা হওয়া যায় না! পথে নামতে হয়!”

বিধানসভা নির্বাচনের পর তিনি একটা কথা দলের নেতাদের বারবার বলেছেন “আমাদের লক্ষ্য ছিল বড়। তবে স্বপ্নের ২০০ তে না পৌঁছাতে পারলেও রাজ্য বিধানসভায় একমাত্র বিরোধীর মর্যাদা পেয়েছে দল। কয়েক বছর আগেও রাজ্যে বিজেপি সাইনবোর্ড থাকলেও এখন ১৮ লোকসভা আর ৭৭ টি বিধানসভা আসনে দল জয়ী। এখন দলকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সকলকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। কর্মীদের কাজের মধ্যে রাখতে হবে। তাদের পাশে থাকতে হবে।” কিন্তু দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পরেও দলের মধ্যে কোনো একতার বার্তা নেই বরং সকলেই দলবদলুদের অনুসরণ করতে ব্যস্ত বা দলীয় বৈঠকে উপস্থিত না থেকে অন্য কাজে ব্যস্ত।
লকডাউনের মধ্যে হুগলী, হাওড়া, পূর্ব পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া বিভিন্ন জেলা সফর করে টুইটারে ছবি শেয়ার করেছিলেন দীলিপ ঘোষ। শুভেন্দু অধিকারী ও লকেট চট্টোপাধ্যায় দুজনেই নিজেদের জেলার কাজ করে চলেছেন। কিন্তু সার্বিকভাবে কাজের মধ্যে থাকাটা সন্তোষজনক নয় বলেই জানিয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। তিনি বলেছেন “আমি এত জায়গায় ঘুরতে পারলে বাকিরা কেন পারেন না? সকলেই তো একই রকম পরিস্থিতির মধ্যে! আমার জন্য তো আলাদা করে বিধিনিষেধ শিথিল করে নি রাজ্য!” দিলীপ ঘোষের এই মন্তব্যের পর সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু উত্তরবঙ্গ সফরে বেরিয়েছেন। বাঁকুড়ার সাংসদ সুভাষ সরকার নিজের এলাকায় কর্মীদের পাশে উপস্থিত থেকে কাজ করা শুরু করেছেন। সুতরাং দলের কর্মীদের পাশে থাকার পরামর্শ অনেকেই গ্রহণ মেনে চলা শুরু করেছেন ধমকের পর।

Dilip Ghosh is angry at party ministers

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *