হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে রাজ্য

দেবাঞ্জনের মা-বাবা জানতেন তাদের ছেলে প্রতারক

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: কসবা টিকাকরণ কেন্দ্রের তদন্তে নয়া তথ্য পেয়েছে পুলিশ। কসবা কাণ্ডে জড়িত দেবাঞ্জন দেবকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, এর আগে ২০২০ সালের মার্চ মাসে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল দেবাঞ্জনকে। তখন থেকেই দেবাঞ্জনের মা-বাবা জানতেন ছেলে কোনো আইএএস অফিসার নয়, একজন প্রতারক মাত্র।

২০২০ সালে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছিল দেবাঞ্জন দেবের বিরুদ্ধে। তখনই দেবাঞ্জনের মা-বাবা জানতে পারেন, দেবাঞ্জন কোনো আইএএস অফিসার নয়, বদলে একজন প্রতারক। দেবাঞ্জনকে গ্রেফতার করার পর রবিবার পুলিশ তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে কিছু নথিপত্র, পাসবুক, ডেবিট কার্ড পেয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, জিজ্ঞাসাবাদ চলাকালীন দেবাঞ্জন জানিয়েছে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাস থেকে লোক নিয়োগ করা শুরু করেছিল সে। ভুয়ো টিকাকরণ শিবিরের মতন প্রতারণা চক্র চালানোর জন্য ‘স্পেশাল 26’ কায়দায় লোক নিয়োগ করেছিল সে। গতকালই সামনে এসেছে, টিকাকরণ কেন্দ্র ছাড়াও একটি বেসরকারি অফিস ও একটি ওষুধ নির্মাণ সংস্থাকে ঠকিয়েছে দেবাঞ্জন। ঐ বেসরকারি সংস্থার ১৭২ জন কর্মীদের টিকাকরণের আশ্বাস দিয়ে দেবাঞ্জন এক লাখ কুড়ি হাজার টাকা হাতিয়েছিল। শুধু তাই নয়, দেবাঞ্জনের মামা সন্দীপ মান্না, পেশায় অঙ্কন শিল্পী, আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ তুলেছে দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে। তিনি জানিয়েছেন, ২০১৯ সালের জুন মাসে একটি অঙ্কন প্রদর্শনী আয়োজনের জন্য মোটা টাকা দাবি করেছিল দেবাঞ্জন। সন্দীপ মান্না বলেন, “কখনো ৩৫ হাজার কখনও বা ৫৫ হাজার টাকা বলেছিল। নির্দিষ্ট করে কিছু বলেনি। গগনেন্দ্র প্রদর্শনশালায় বিশাল টাকার ব্যাপার ছিল। আমি জানতাম না। আচমকা কলকাতা গিয়ে টাকার কথা শুনি। তখন বাধ্য হয়ে পরিবার পরিজন এবং স্ত্রীর কাছে সাহায্য চাইতে হয়।”

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *