www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

দেশ রাজ্য

টানাটানির সংসারে উপরি চাপ কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা!

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ :ভোটে জিতে বিধায়ক হয়েছেন , মিলেছে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা । আর সেই সামলাতেই কার্যত হাঁসফাঁস অবস্থা চন্দনা বাউরি, দিবাকর ঘরামি , চিন্ময় দেববর্মনের মত বিধায়কদের। একচিলতে মাটির বাড়িতেই সংসার গৃহবধূ ও বিধায়ক চন্দনা বাউরির। স্বামী মূলত রাজমিস্ত্রি কিন্তু মাঝে মাঝে সংসার চালানোর দায়ে দিনমজুরি ও করতে হয়। তার মাঝে বাড়িতে আরো ৪ সদস্য বৃদ্ধি সমস্যায় ফেলেছে চন্দনাকে।

প্রসঙ্গত, একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হয়ে শালতোড়ার বিধায়ক হন চন্দনা বাউরি।আর বিধায়ক হওয়ার পরই দলের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জন্য আবেদন করেছিলেন চন্দনাই। তারপরেই তার বাড়িতে পাঠানো হয় নিরাপত্তা বাহিনীর চার জওয়ান। স্বামী শ্রাবণ বাউরি আবেদন করলেও নামে ভুল থাকায় প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা টাকা আটকে যায় , ফলে তারা এখনো মাটির বাড়িতেই থাকেন।

সেই বাড়িতে আরও চারজনকে কিভাবে রাখবেন সেই প্রসঙ্গে চন্দনা বলেন, “জওয়ানদের রাখার মতো ঘর তো আমাদের নেই। তাই একজনের নির্মীয়মান বাড়িতে ব্যবস্থা করেছি। সেখানে আবার দরজা, জানালা ছিল না। বাড়িতে লাগাব বলে ভোটের আগে দুটো জানলা আর একটা দরজা কেনা ছিল। সেগুলোই আমার স্বামী ওই বাড়িতে লাগিয়ে দিয়েছে। ” জওয়ানদের আলাদা খাওয়ার ব্যবস্থা করতে না পারার জন্য চন্দনা বাউরী এবং তার শাশুড়ি মা মিলে রান্না করে খাওয়াচ্ছেন জওয়ানদের। তিনি বলেন ” আমরা যারা খাই তাই খাওয়াচ্ছি ।বুঝতে পারছি ওদের খুবই অসুবিধা হচ্ছে ।ওঁরা রুটি পছন্দ করেন। কিন্তু আমাদের খাওয়া হচ্ছে ভাত, মুড়ি”।

অনেকটা একই রকম চাপে রয়েছেন সোনামুখীর বিধায়ক দিবাকর ঘরামি। মাঠে চাষ করে সংসার চালান এক নিম্নবিত্ত পরিবারের সদস্য দিবাকর ঘরামি। বিধায়ক ভাতার অপেক্ষায় থাকা দিবাকর কে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা বাহিনীর থাকা-খাওয়ার অবস্থার কথা জিজ্ঞাসা করলে তিনি বলেন , “আমার একটা দোকান ঘর ছিল। সেখানেই খুব কষ্ট করে জওয়ানরা থাকছেন। যৌথ পরিবারে আমাদের ১০ জন সদস্য । সেইসঙ্গে রাজ্য পুলিশের ১ জন আর কেন্দ্রীয় বাহিনীর ৪ জন যুক্ত হয়েছে। ১৫ জনের খাওয়া-দাওয়া একসঙ্গেই চলছে। আমরা যা খাচ্ছি তাই খাওয়াচ্ছি। “

মালদহের গাজোলের বিধায়ক চিন্ময় দেব বর্মনের অবস্থাও বাকিদেরই মতো। বেসরকারি বিমান সংস্থার কর্মী চিনময় দেব বর্মন ও পেয়েছেন কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা। তাদের থাকার জন্য তিনি একটি বাড়ি ভাড়া নিয়েছেন। সেই বাড়ি ভাড়ার খরচ এর জন্য পাশে পেয়েছেন স্থানীয় বিজেপি নেতাদের। আর জওয়ানদের যতদিন না আলাদা রান্নার ব্যবস্থা হচ্ছে ততদিন পর্যন্ত তাদের সাথেই খাওয়া-দাওয়া করবে জওয়ানরা এ কথা জানিয়েছেন।

তবে এ সকল বিধায়কই নিরাপত্তা বাহিনীর রক্ষণাবেক্ষণে বিভিন্ন রকম চাপের সম্মুখীন হলেও কেন্দ্রের নির্দেশ তারা মানবেন বলেই জানিয়েছেন।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *