হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে রাজ্য

“প্রচারে শুধু এই সংলাপ বলার জন্যই হিংসা হয়ে গেল?”, বিচারপতি কৌশিক চন্দ

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: মিঠুন চক্রবর্তীর মামলায় মামলার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি কৌশিক চন্দ। শুধুমাত্র সংলাপের থেকেই হিংসা ছড়িয়ে গেল শুনে অবাক বিচারপতি চ্ন্দ।

২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে কলকাতায় ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে বাংলার মাটিতে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। সিনেমার ডায়লগ শুনিয়ে সমস্ত ভক্তদের নজর কাড়েন তিনি। কিন্তু মঞ্চে দাঁড়িয়ে ভক্তদের নজর কাড়লেও, নির্বাচনের পরে বাংলা প্রমাণ করে দিয়েছে বাংলা তার মেয়েকেই চায়। নির্বাচনের পর তৃণমূলের পক্ষ থেকে মিঠুন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে মামলা করা হয় মঞ্চে দাঁড়িয়ে হিংসাত্মক সংলাপ আওড়ানোর জন্য। প্রথমে মানিকতলা থানায় মিঠুন চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হলেও পুলিশের কোনো সক্রিয় ভূমিকা পাওয়া যায়নি, তাই তারপরে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় তৃণমূল। তৃণমূলের একাংশের মতে, মিঠুন চক্রবর্তীর সেই সংলাপের সাহায্যে বাংলায় রাজনৈতিক হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা করেছিল বিজেপি। এদিন বিচারপতি কৌশিক চন্দ বলেছেন, মিঠুন চক্রবর্তী সেদিন যা যা সংলাপ মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন সমস্তই তাঁর সিনেমার সংলাপ। আর প্রত্যেকটি সিনেমাই সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র নিয়ে তবেই মুক্তি পায়। তাহলে সেন্সর বোর্ডের থেকে যদি সেই সিনেমা ছাড়পত্র পায়, তাহলে সেই সিনেমার সংলাপ রাজনৈতিক স্তরে উস্কানিমূলক হয় কীভাবে? মামলা চলাকালীন মামলার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি চন্দ। সরকারি আইনজীবী শাশ্বত গোপাল মুখোপাধ্যায়ের কাছ থেকে মিঠুন চক্রবর্তীর সংলাপগুলো শুনে হেসে বলেন, “এসব তো সিনেমার সংলাপ, যা সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পেয়ে মুক্তি পায়। এই ধরনের সংলাপ খারাপ হলে, সেন্সর বোর্ড ছাড়পত্র দিল কীভাবে? আর নির্বাচন কমিশনই বা নীরব রইল কেন? প্রচারে শুধু এই সংলাপ বলার জন্যই হিংসা হয়ে গেল?” এমনিতেই কলকাতা হাইকোর্টে বিচারপতি কৌশিক চন্দের এজলাসেই চলছিল নন্দীগ্রামের নির্বাচন প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখার মামলা। গতকালই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী মনু সিংঘ এজলাস বদলের আবেদন জানান বিচারপতি কৌশিক চন্দের কাছে। কারণ বিচারপতি কৌশিক চন্দ বিজেপির এককালের সক্রিয় সদস্য হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *