হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

রাজ্য

অর্থ উপার্জনের জন্যই আসিফ খুন করতে চেয়েছিল পরিবারকে

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: বাবা, মা, বোন, দিদা ও দাদাকে খুন করে টর ওয়েবসাইটে ভিডিও আপলোড করে টাকা উপার্জন করতে চেয়েছিল আসিফ।

১৯শে জুন কালিয়াচক হত্যাকাণ্ডের পরে গ্রেফতার করা হয়েছিল আসিফ মহম্মদকে। বাবা, মা, দাদাকে চৌবাচ্চায় জলে চুবিয়ে মেরে ফেলতে চেয়েছিল আসিফ। ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর মালদার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অনীশ সরকার জানিয়েছিলেন, “আসিফ তার বাবা-মা, দিদা, বোন এবং দাদা সকলকে ঘুমের ওষুধ খাইয়েছিল। তারা যখন সকলে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েন, তখন তাদের বসত বাড়ির পাশে একটি গুদামে নিয়ে যায় সে। সেখানে কফিনের আকারে কিছু একটা তৈরি করেছিল আসিফ। সকলকে বলেছিল, তোমাদের ছবি তোলা হবে। তারপর সকলকে সেখানে ও ডুবিয়ে দেয়।”
তদন্তকালে ওই গুদামঘরের থেকে ষোলোটি সিসিটিভি ক্যামেরা উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশের বক্তব্য পরিবারের প্রত্যেক সদস্যকে খুন করে মৃত্যুর সময় তাদের অবস্থা কেমন হয় সেটাই ভিডিও করে রাখতে চেয়েছিল আসিফ মহম্মদ। গ্রেফতারির সময় তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছিল একাধিক আগ্নেয়াস্ত্র। তাই জঙ্গীযোগের অনুমানও এড়িয়ে যায়নি পুলিশ। তারপর কেটে গেছে বেশ কয়েকটা দিন। পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ নিশ্চিত করে জানিয়েছে, টাকার জন্যই আসিফ তার পরিবারের সদস্যদের খুন করতে চেয়েছিল। যদিও আসিফের দাদা প্রাণে বেঁচে পালিয়ে যাওয়ায় ঘটনাটি সামনে আসে। পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ তদন্ত করে জানতে পেরেছে, আসিফ তার বাবাকে খুনের আগেই সমস্ত সম্পত্তি বিক্রির টাকা চুরি করে নিয়েছিল। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আসিফ জানিয়েছে খুনের ঘটনার ভিডিও বিভিন্ন ওয়েবসাইটে বিক্রি করে টাকা লাভ করতে চেয়েছিল সে।
আমরা প্রত্যেকে গুগলে যে তথ্য পাই তা আসলে মূল ঘটনার চার শতাংশ মাত্র, বাকি ছিয়ানব্বই শতাংশ তথ্যই পাওয়া যায় টর নামক একটি ওয়েবসাইটে। সেই ডার্ক ওয়েবসাইট ব্যবহারে অভ্যস্ত হয়েছিল আসিফ। বর্তমানে গোয়েন্দা বিভাগের কর্মকর্তারা আসিফের ল্যাপটপ ও কম্পিউটারের ফরেনসিক টেস্ট করে তার হিস্ট্রি খতিয়ে দেখার চেষ্টা করছ

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *