www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

দেশ স্বাস্থ্যের খুঁটিনাটি

দেশের পিছিয়ে পড়া পড়ুয়াদের জন্য স্কুল খুলে দেওয়া উচিত বলে মনে করছেন ডাক্তার গুলেরিয়া

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: যে সমস্ত পড়ুয়াদের অনলাইনে পড়াশোনা করার কোনো সুযোগ নেই, তারা প্রত্যেকে শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই কোনোভাবে স্কুল খোলার পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত রাজ্যের।

করোনা পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে সবথেকে বেশি সমস্যায় পড়েছে স্বাস্থ্য ও শিক্ষাব্যবস্থা। শিক্ষার সমস্ত প্রতিষ্ঠান অর্থাৎ স্কুল-কলেজগুলো বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে দীর্ঘদিন ধরে। বাতিল হয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। এরইমধ্যে শিক্ষা না স্বাস্থ্য, কোন দিকে জোর দেওয়া প্রয়োজন, তা নিয়ে সাধারণ মানুষ দিশাহারা। দিল্লির এইমসের প্রধান ডিরেক্টর ডাক্তার রণদীপ গুলেরিয়া জানিয়েছেন, এবার সময় এসে গেছে শিক্ষার দিকে জোর দেওয়ার। স্বাভাবিকভাবেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ থাকায় বহু ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষাগত ক্ষতি হচ্ছে। এক সংবাদমাধ্যমে ডাক্তার গুলেরিয়া বলেছেন, “স্কুল হচ্ছে সেই জায়গা যেখানে শিশুদের ব্যক্তিত্বের বিকাশ হয়। পড়ুয়াদের মধ্যে মতামত আদান-প্রদান হয়। স্কুলের পুরো পরিবেশটাই শিশুদের বিকাশে সাহায্য করে। স্কুলগুলি বন্ধ থাকায় পড়ুয়াদের ক্ষতি হচ্ছে। বিশেষ করে সেইসব পড়ুয়াদের, যাদের অনলাইনে পড়াশোনা করার সুযোগ নেই।” ২০২০ সালের মার্চ মাসে ভারতে প্রথম করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছিল। আর সংক্রমণের ভয়েই তখন থেকে বন্ধ পড়ে রয়েছে স্কুল কলেজ সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। করোনা ভাইরাসের প্রথম ঢেউ কাটিয়ে উঠে, দ্বিতীয় ঢেউয়ের পর এবার ভয় বাড়াচ্ছে তৃতীয় ঢেউ। কানপুর আইআইটি গবেষকদের গবেষণায় আশঙ্কা করা হচ্ছে আগামী ১৫ই জুলাই এর মধ্যে দেশে সমস্ত কিছু আনলক হয়ে গেলে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মধ্যে করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে ভারতে। আর তাতে দৈনিক সংক্রমণ হতে পারে সাড়ে তিন থেকে পাঁচ লাখ। যদিও বর্তমানে ছাত্র-ছাত্রীরা অনলাইন পড়াশোনায় অভ্যস্ত হয়ে গেছে, তবুও দেশের সমস্ত জায়গায় অনলাইন পড়াশোনা চালু করা সম্ভব হয়নি। এরফলেই ডাক্তার রণদীপ গুলেরিয়া মনে করছেন ঐ সমস্ত গরীব বা পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর পরিবারের পড়ুয়ারা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। তাই দ্রুত স্কুল খোলার পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *