হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

স্বাস্থ্যের খুঁটিনাটি

নতুন করে রাজ্যের চিন্তা বাড়াচ্ছে পূর্ব মেদিনীপুর

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: করোনা সংক্রমণের হার কমতে দেখে দেশের বিভিন্ন রাজ্য যখন আনলকের প্রক্রিয়া শুরু করতে ব্যস্ত তখন চিন্তা বাড়িয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর। গত চব্বিশ ঘণ্টায় মোট চুরাশি জন করোনার কবলে প্রাণ হারিয়েছেন যা আগের দিনের তুলনায় সামান্য বেশি। পশ্চিমবঙ্গে গত চব্বিশ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২৪৯৭ জন এবং স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯৮৪ জন, যার মধ্যে ৫৯৭ জন উত্তর চব্বিশ পরগনার বাসিন্দা।

বর্তমানে করোনা সংক্রমণে কলকাতা দ্বিতীয় স্থানাধিকারী, পূর্ব মেদিনীপুর অধিকার করেছে তৃতীয় স্থান এবং হাওড়া রয়েছে চতুর্থ স্থানে। পূর্ব মেদিনীপুরে এক দিনেই করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৪১৬ জন এবং হাওড়ায় একদিনের সংক্রমণ ২৮৭ জন। ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছে দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি, সেখানে করোনার সংক্রমণ ফের ঊর্ধ্বমুখী। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গে করোনা আক্রান্তের মোট সংখ্যা ১৪,৬১,২৫৭। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত চব্বিশ ঘন্টায় সুস্থতার হার ৯৭.৬৪ শতাংশ। সকলের ভ্যাকসিন না নেওয়া অব্দি, রাজ্যে জারি করা বিধি-নিষেধের মধ্যে লকডাউনের বিকল্প অস্ত্র আর নেই। মে মাসের শুরুতে সংক্রমণ যে হারে বৃদ্ধি পেয়েছিল তা এখন অনেকটা নিম্নমুখী।
পশ্চিমবঙ্গের স্বাস্থ্য অধিকর্তা ডাক্তার অজয় চক্রবর্তীর কথায় “অন্য রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফায় সংক্রমণ কম, মৃত্যুও কম। তবে স্বাস্থ্য দপ্তর কোন ঝুঁকি নেবে না। সব ধরনের সমস্যা মোকাবিলা করতে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।” বিশেষজ্ঞদের ধারণা নভেম্বর-ডিসেম্বরে ভারতে করোনাভাইরাসের তৃতীয় ঢেউ আসতে পারে, যাতে শিশুদের আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা বেশি। ফলেই রাজ্যের বিভিন্ন হাসপাতালে পরিকাঠামো এমন করার ভাবনা চলছে যাতে ভবিষ্যতে প্রয়োজনে শিশুর সঙ্গে শিশুর মায়েরাও সেখানে থাকতে পারেন। রাজ্যের সব সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পেডিয়াট্রিক ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট রাখা হবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য দপ্তর।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *