হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে স্বাস্থ্যের খুঁটিনাটি

ওজন মাত্র সাড়ে সাতশ, করোনা হারিয়ে বাড়ি ফিরল শিশুকন্যা

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: কয়েকদিন ধরেই বিশেষজ্ঞরা বলে আসছেন নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে করোনার তৃতীয় ঢেউ এলে তাতে আক্রান্ত হতে পারে এক থেকে আঠারো বছরের শিশুরা। এবার সাড়ে সাতশো গ্রামের এক শিশুকন্যা করোনাকে হারিয়ে হয়ে উঠল মৃত্যুঞ্জয়ী। দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার ধুলাহাটের বধু সালেহা খাতুন আঠাশ সপ্তাহের মাথায় পার্ক সার্কাসের ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজে ১৩ই এপ্রিল জন্ম দেন ‘প্রিম্যাচিওর’ ওই শিশু কন্যার। তবে মে মাসের প্রথম সপ্তাহেই ওই শিশুকন্যা করোনা আক্রান্ত হলে চিন্তার ভাঁজ পড়ে কপালে। ছোট্ট একটি রক্তমাংসের দেহ যাকে ভেন্টিলেশনে রেখে প্রত্যেক মিনিটে চার থেকে পাঁচ লিটার অক্সিজেন দিতে হচ্ছিল, সমস্ত বাধা পেরিয়ে সে সেরে উঠলো মহামারী থেকে। ভগবান বা কোনরকম বিস্ময় নয়, ডাক্তার এবং নার্সদের আপ্রাণ চেষ্টাতেই এই শিশু তার প্রাণ ফিরে পেয়েছে।

প্রতীকি চিত্র

নিওন্যাটোলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডাক্তার ভাস্বতী ঘোষের নেতৃত্বে প্রায় দুমাস ধরে এই শিশুর চিকিৎসা চলছিল। তিনি জানিয়েছেন “কাজটা নিঃসন্দেহে খুব কঠিন ছিল. আমাদের টিম প্রাণপণ চেষ্টা করে অসাধ্য সাধন করেছে. এত কম ওজনের শিশুর কোভিড নজির নেই বলেই মনে হয়। টানা অক্সিজেন চললে চোখের ক্ষতি হয়, চোখের ডাক্তার নিয়মিত পরীক্ষা করেছেন। শিশুটির কোন সমস্যা হয়নি।” ন্যাশনাল-এর চিকিৎসকদের এই প্রচেষ্টায় প্রশংসা করে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার প্রভাস প্রসূন বলেছেন “কম ওজন হলেই শিশুকে বাঁচানো মুশকিল। কারণ ফুসফুস ও কিডনিসহ একাধিক অঙ্গ অপরিণত থাকে। দেখতে হবে করোনার কবলে শিশুটির শারীরিক অবস্থার আরো অবনতি ঘটেছিল কিনা, ফুসফুসে আঘাত এনেছিল কিনা।” তবে শিশুর করোনা জয় প্রথম নয়, গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ইএম বাইপাসে আনন্দপুরের একটি হাসপাতাল থেকে মাত্র ৩৩ দিনের একটি শিশু করোনা মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছিল। তবে তার ওজন ছিল প্রায় ১ কেজি ৩০০ গ্রাম। আর ন্যাশনালের এই শিশুটির ওজন প্রায় সাড়ে সাতশ গ্রাম। ন্যাশনালের ডাক্তারদের ইচ্ছে ছিল শিশুটিকে দেড় কেজি ওজন হলে তবে বাড়ি পাঠাবেন তারা। কিন্তু শিশুটির পরিবার করোনা মহামারীর মধ্যে আর হাসপাতলে শিশুটিকে না রাখতে চাওয়ায় তাকে ডিসচার্জ করে ন্যাশনাল। এখন সেই শিশুকন্যা সুস্থ এবং স্বাভাবিক।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *