www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে জেলা

ইয়াশে রাজ্যের ক্ষতিগ্রস্ত সব বাঁধ মেরামত হয়ে গেছে, দাবি সেচমন্ত্রীর



বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: পশ্চিম মেদিনীপুরে ইয়াশ ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত সব বাঁধ ২৩শে জুনের মধ্যে মেরামত করা হয়েছে, এমনটাই দাবি রাজ্যের সেচমন্ত্রী সৌমেন মাহাপাত্রর। শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম দুই জেলার জেলাশাসক, বিধায়ক, সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে এক বৈঠকে যোগ দিতে এসে সেচমন্ত্রী বলেন, “ইয়াশে ক্ষতিগ্রস্ত সমস্ত বাঁধ জরুরি ভিত্তিতে মেরামত করা হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, রাজ্যের দুই চব্বিশ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, বীরভূম, হুগলী, হাওড়া জেলায় ২৯৩ কিলোমিটার বাঁধে প্রায় ২৯০টি জায়গায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। সেগুলো সব আমরা মেরামত করে দিয়েছি। সমূদ্র উপকুলে ইয়াশ ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ২৫ কিলোমিটার বাঁধও প্রাথমিক ভাবে মেরামত করা হয়েছে।”

উল্লেখ্য, এক মাস আগে ইয়াশ ঘূর্ণিঝড়ে পূর্ব মেদিনীপুরের শঙ্করপুর, চাঁদপুর, জামড়া , শ্যামপুর, লছিমপুর, ভেড়িচাউলি, জলধা, তাজপুর এলাকায় চার কিলোমিটার সমুদ্রের কংক্রিটের বাঁধ ভেঙে যায়। ঝড়ে সমুদ্র বাঁধের ক্ষতি হয় চব্বিশ পরগনা এলাকাতেও। মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র বলেন, “কোটালের সময় ভাঙা বাঁধ দিয়ে গ্রামে জল ঢুকতে পারে। এই আশঙ্কায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়ের নির্দেশে দ্রুত বাঁধ মেরামতের কাজ শুরু করা হয়। জরুরি ভিত্তিতে এই বাঁধ মেরামতির কাজ হয়। মন্ত্রী বলেন, গত ১১ তারিখের কোটালে তেমন কিছু ক্ষতি হয়নি। ২৬ জুন ফের কোটালের কথা মাথায় রেখে ক্ষতিগ্রস্ত সমুদ্র বাঁধকে ‘ব্ল্যাক স্টোন’ দিয়ে উঁচু করে বেঁধে দেওয়া হয়েছে। বর্ষা চলে গেলে স্থায়ীভাবে বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হবে।”

কত টাকা এই বাঁধ মেরামতে খরচ হয়েছে?
মন্ত্রী বলেন, “এমার্জেন্সি ফান্ড থেকে এই বাঁধ মেরামতি হয়েছে। ঠিক কোথায় কত টাকা খরচ হয়েছে তা এই মূহুর্তে বলা সম্ভব নয়।”

সামনেই বর্ষার মরশুম। তার আগে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে মেদিনীপুর সার্কিট হাউসে পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রাম দুই জেলার বিধায়ক, জেলা প্রশাসনের আধিকারিক ও সেচ দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া ও শিউলি সাহা সহ দুই জেলার জেলাশাসক।

বর্ষার আগে কোথাও কোনো সমস্যা আছে কিনা; যদি বর্ষার সময় বিভিন্ন জলাধার থেকে অতিরিক্ত জল ছাড়া হয়, কীভাবে তার মোকাবিলা করা যাবে; সেচ দপ্তর কতখানি প্রস্তুত; এলাকার বিধায়ক ও জনপ্রতিনিধিদের মতামত কী এই সব নিয়ে আলোচনা হয় বৈঠকে। সেচমন্ত্রী দপ্তরের প্রস্তুতির কথা তুলে ধরেন। জনপ্রতিনিধিদের কাছ থেকে জানতে চান, আপনাদের মতামত জানান, কীভাবে এই বর্ষার মোকাবিলা করা যাবে।
বিধায়করা নিজ নিজ এলাকার অবস্থা উল্লেখ করেন। সেচমন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র বলেন, এবার সময়ের আগে অতিরিক্ত বৃষ্টি হচ্ছে। এখনও বর্ষা বাকি। তাই পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব রকম প্রস্তুতি রাখা হচ্ছে। মন্ত্রী এও বলেন, রাজ্যে বিভিন্ন নদীর উপর থাকা ৩৭০টি কাঠের সেতু পাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সেগুলি রূপায়িত হয়নি। বর্ষা কাটলে সেগুলি কী অবস্থায় আছে তা দেখা হবে।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *