Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

জেলা

ভাতারের বিধায়ক উদ্যোগী হলেন করোনা মোকাবিলায়

বঙ্গবাণী নিউজ, পূর্ব বর্ধমান : শপথ নিয়ে এলাকায় ফিরে এসে কাজ শুরু করে দিলেন ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারি। ভাতারের করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে শনিবারই নেমে পড়েছেন তিনি। এদিন সকালে ভাতার হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য ন্যূনতম ১০ টি বেড করার প্রস্তাব নিয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষর সঙ্গে আলোচনা করেন। এদিন ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক সংঘমিত্রা ভৌমিক হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন না। তাঁর অনুপস্থিতিতে মেডিকেল অফিসারের ঘরে বসেই ফোনে এই বিষয়ে জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।


করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা পূর্ব বর্ধমান জেলা সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ভাতার ব্লকেও। শুক্রবার ভাতার ব্লকে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৬১ জন। সেই পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে এদিন ভাতার হাসপাতালে পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত ও জনস্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মাধ্যক্ষকে সঙ্গে নিয়ে বৈঠক সারেন মানগোবিন্দ অধিকারী । বৈঠক শেষে তিনি বলেন,” জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর দেখবে , রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর দেখবে, এসব কোনো কথাই আমি শুনবো না। ভাতারে করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিনিয়ত বাড়ছে। অন্তত দশটা বেডের ব্যবস্থা করতেই হবে। যাতে একজন করোনা আক্রান্ত রোগী হাসপাতলে এলে তাকে অন্তত প্রাথমিকভাবে অক্সিজেন সহ অন্যান্য প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া যেতে পারে সেটা আমাদেরকে নিশ্চিত করতে হবে।”

হাসপাতালে করোনার টিকা দেবার কাজ এখন বন্ধ ভ্যাকসিনের অপ্রতুলতায় টিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন,‘ভাতার হাসপাতালে আগে করোনার টেস্ট এবং ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ দ্রুতগতিতে হচ্ছিল। এখন দুটোই হচ্ছে ধীর গতিতে। এদিন বিএমওএইচ আসেনি। আমি ফোনে পুরো বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছি । সিএমওএইচ কেউ ব্যাপারটা বলেছি। অতি দ্রুত এ বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে আশা করছি। কেন্দ্র সরকার ভ্যাকসিন না পাঠানোর জন্যই এই সমস্যা বাড়ছে। মুখ্যমন্ত্রী বারবার চিঠি লেখার পরেও কোন উত্তর নেই। এই বিজেপিই আবার সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছিল। এদের লজ্জাও নেই। ” রোগীদের পরিষেবার বিষয়ে মানগোবিন্দ অধিকারী বলেন,‘২-৩টে অ্যাম্বুলেন্স পড়ে আছে খারাপ হয়ে।

সেগুলোকে নিয়ে এসে অবিলম্বে সারিয়ে এখানে রাখার ব্যবস্থা করছি আমরা। এখানে আসার পরে অনেকে জানতে পারছেন তিনি কোভিড পজেটিভ। তারপর খবর পাচ্ছি সেই ব্যক্তি গাড়িতে বা বাসে বা টোটোতে করে গ্রামে ফিরছেন । এই ফেরার সময় তিনি আরো কিছু মানুষকে সংক্রমিত করছেন। এটা আমাদেরই বন্ধ করতে হবে। অ্যাম্বুলেন্স থাকলে সেই রোগীকে দিয়ে আসতে পারবে বাড়ি । কিন্তু স্বাস্থ্য পরিষেবার বিষয়ে ভাতার হাসপাতালে কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেই। দরকার হলে আমি সোমবার আবার আসবো।”

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *