www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

জেলা রাজ্য

ছেলের স্মৃতিতে গ্রন্থাগার তৈরি করেছেন বাবা

বঙ্গবাণী নিউজ ,পশ্চিম মেদিনীপুরঃ গ্রামের ছেলেরা কোন বদ নেশায় যাতে না জড়িয়ে পড়ে, তাই ছেলের স্মৃতিতে গ্রামে তৈরি করলেন গ্রন্থাগার। ‘বই পড়ার নেশায় আসক্ত হলে যে কোনও নেশা দূরে সরে যাবে’। এই ভাবনা থেকে সামান্য কিছু গল্পের বই নিয়ে স্থানীয় একটি ক্লাবে চালু হল গ্রন্থাগার। ২০০৯ সালে ছেলের স্মৃতিতে নিজের পয়সায় আজও চালিয়ে যাচ্ছেন গ্রন্থাগার। দাঁতন-২ ব্লকের সাউড়ি অঞ্চলের বাবলা গ্রামের হিমাঙ্ক পাল এই উদ্দ্যেগটি নিয়েছেন।বাজে সঙ্গে মিশে গোল্লায় যেতে দেখে নিজের ছেলেকে। অনেক চেষ্টা করেও ছেলেকে শুধরাতে না পেরে একদিন বকাবকির পর আত্মহতা করে নেয় ছেলে। তারপরেই মনে আসে এই ভাবনা। যাতে ছেলেমেয়েরা বিপথে না চলে যায়, সেজন্য তৈরি করেন গ্রন্থাগার। বই পড়ার নেশা ধরাতে দুই কর্মীর সাহায্যে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেন গ্রন্থাগার পরিষেবা।

দাঁতন-২ ব্লকের বাবলা গ্রামে ছোট এই পাঠাগারে আজও বই এবং খবরের কাগজ পড়তে আসেন অনেকেই। স্কুল কলেজের ছেলেমেয়ে, যুবুক-যুবতী থেকে বাড়ির গৃহবধূরা সকলেই আসেন বই পড়ার নেশায়। রবিবার ও বৃহস্পতিবার বাদ দিয়ে সবদিন বিকেল ৩টা থেকে সন্ধ্যে ৬টা পর্যন্ত খোলা থাকে এই গ্রন্থাগার। গ্রামের দুই গৃহ বধূ পিংকি পন্ডা ও সান্তনা দে সামান্য পারিশ্রমিকের বিনিময়ে দেখভাল করেন এই গ্রন্থাগারটি। ভবিষ্যতে এই পাঠাগারটি বড় হবে, মাথা তুলে দাঁড়াবে এই তাঁদের অঙ্গীকার।

বর্তমানে গ্রন্থাগারে বইয়ের সংখ্যা হাজার ছুঁই ছুঁই। গ্রামের বাসিন্দা, গ্রন্থাগারের প্রতিষ্ঠাতা হিমাঙ্ক পাল এই গ্রন্থাগার তৈরির পরিকল্পনা করেন। ২০০৯ সালে সামান্য কিছু বই নিয়ে স্থানীয় একটি ক্লাবে পথচলা শুরু। নাম দিয়েছেন ‘বিদ্যাসাগর গ্রন্থাগার’। নিজের সামান্য রোজগার ও কিছু মানুষের সহযোগিতায় চলছে পাঠাগারটি। হিমাঙ্ক পাল বলেন, ‘আমার একমাত্র ছেলে সোমনাথ পাল আত্মহত্যা করে মারা যায় ২০০৫ সালে। তারপর আমার স্ত্রী অন্নপূর্না পাল আমাকে ছেড়ে চলে যান। তারপরেই গ্রামে একটি পাঠাগার তৈরির পরিকল্পনা করি। তিনি বলেন, নবম শ্রেণী পর্যন্ত আমার ছেলে ভালই লেখাপড়া করত। তারপর জড়িয়ে পড়ে নানা বদ নেশায়। কেমন যেন তার মাথা বিগড়ে যায়। লোকের জিনিসপত্রে না বলেই হাত দিতে শুরু করে। একদিন বকাবকির পর গলায় দড়ি নিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। মাস ছ’য়েক কোমায় থাকার পর মৃত্যু হয়। ছেলের মৃত্যুর পর স্ত্রী আমাকে ছেড়ে চলে যায়। তখন এই গ্রন্থাগার তৈরির চিন্তা ভাবনা করি’।

হিমাঙ্ক পালের এহেন উদ্যোগে ভীষণ খুশি গ্রামের সাধারণ মানুষ থেকে দুই গ্রন্থাগার কর্মী। দুই কর্মী পিংকি পন্ডা ও সান্তনা দে বলেন, ‘মানুষের মধ্যে বই পড়ার নেশা তৈরি হয়েছে। স্কুলের অনেকে ছাত্রছাত্রী আসে বই পড়তে। চাহিদা অনুযায়ী সব বই দিতে পারিনা। ইদানিং বছরে সামান্য কিছু সরকারি সাহায্য মিলছে। আরও বেশি বই প্রয়োজন। তাঁরা বলেন, আমাদেরও বেশ ভাল লাগে। নিজেরাও কত বই পড়তে পারি। যার ফলে এক ঘেয়েমি সংসার জীবনের বাইরে একটু অন্যরকম স্বাদ পাই। একই সঙ্গে কিছু মানুষকে অন্তত বইয়ের নেশা ধরাতে পেরেছি। এতেই আমরা খুশি’।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *