www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে জেলা রাজ্য

পরিষেবার সময় কমতেই বাড়ছে ব্যাঙ্কে ভিড়

বঙ্গবাণী ব্যুরো ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষনার পরে ব্যাঙ্ক গুলিতে গ্রাহক পরিষেবার সময় কমেছে অনেকটাই। এরফলে বিভিন্ন ব্যাঙ্কেই ভিড় হচ্ছে । করোনা বিধি মানতে নির্দিষ্ট দূরত্বে দাঁড়াতে হচ্ছে গ্রাহকদের। ফলে দীর্ঘ হচ্ছে লাইন। ব্যাঙ্কের কর্মী সংখ্যাও কমেছে। গ্রাহক পরিষেবা দিতে সময় লাগছে বেশ। বিভিন্ন ব্যাঙ্কের সামনে দেখা গিয়েছে প্রখর রোদের মধ্যে দাঁড়িয়ে রয়েছেন গ্রাহকরা। এদের মধ্যে প্রবীনদের সংখ্যা বেশী। ডিজিটাল লেনদেনের কথা ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে বারেবারে বলা হলেও প্রবীন এই মানুষদের প্রযুক্তির সঙ্গে সেভাবে সড়গড় না হয়ে ওঠা একটা বড় কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। গ্রাহকদের দাবি, অস্থায়ী ছাউনি করে দিলে অন্তত রোদের হাত থেকে বাঁচতে পারেন সকলে। কোথাও নেই পাণীয় জলের ব্যবস্থা। এমনকি ব্যাঙ্কে ঢোকার সময়ে নেই স্যানিটাইজিং ব্যবস্থাও।


প্রতিদিনই পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনা সংক্রমন। নতুন করে ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজ হচ্ছে না। দ্বিতীয় ডোজের জন্যও দীর্ঘ হচ্ছে লাইন প্রতিদিন। এরই মধ্যে ব্যাঙ্কের সময় কমিয়ে দেওয়ায় দুর্ভোগে পড়ছেন অনেকেই। পাল্লারোডের বাসিন্দা অশোক সাহা বলেন, ‘আমার ৭৬ বছর বয়স। বাড়িতে আমি আর স্ত্রী। ছেলে মেয়েরা বাইরে থাকে। এখন এই বয়সে ডিজিটাল লেনদেন আর শিখতে পারছিনা। পেনশনের টাকা তুলতে এসে ভোগান্তির শেষ নেই। এত রোদে কিভাবে দাঁড়াব ? আমাদের কথা ভেবেও যদি ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ একটা অস্থায়ী ছাউনি করে দেয় ভালো হয়।’ বড়শুলের বাসিন্দা রঙ্গনা বেগম বলেন, ‘রোজার সময়ে এই লাইনে দাঁড়িয়ে আছি অনেকক্ষুন। এগোচ্ছেই না লাইন। এই রোদে যদি একটু ছাউনির ব্যবস্থাও করে দিত তাহলে ভালো হতো। খুব কষ্ট হচ্ছে আমাদের।’ পূর্ব বর্ধমান জেলার লিড ডিস্ট্রিক ম্যানেজার বা এলডিএম রঞ্জন গুহ বলেন,‘এই সমস্যাটা হচ্ছে সেটা জেনেছি। তবে পাণীয় জল বা বাথরুম নেই এমন অবস্থা কোন ব্যাঙ্কে নেই। একটা সমস্যা হচ্ছে এমন বেশ কিছু জায়গায় ব্যাঙ্ক রয়েছে যেখানে বাইরে কোন জায়গা নেই। ফলে সেই ব্যাঙ্ক গুলিতে একটু বেশী সমস্যা হচ্ছে। আর যে সমস্ত ব্যাঙ্কের সামনে জায়গা আছে তারা নিজেরা উদ্যোগী হয়ে কিছু জায়গায় করেছেন অস্থায়ী ছাউনি। আমাদের স্টাফও ব্যাঙ্কে কমে গিয়েছে। অনেকে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। ৫০ শতাংশ লোক দিয়ে কাজ করতে হচ্ছে। ফলে প্রবীণদের জন্য আলাদা লাইনের ব্যবস্থাও করা যাচ্ছে না।’

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *