www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে জেলা

গাছের মৃত্যুকে ঘিরে বর্ধমান শহরের স্বনামধন্য স্কুলে দুই প্রধান শিক্ষকের মধ্যে বিতর্ক

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: একটি গাছের মৃত্যুকে ঘিরে শহরের সুনামধন্য বর্ধমান মিউনিসিপাল হাই স্কুলের প্রাথমিক এবং সেকেন্ডারি বিভাগের প্রধান শিক্ষকের মধ্যে বিতর্ক প্রকাশ্যে এল। ঘটনাটির সূত্রপাত হয় প্রাথমিক বিভাগের সামনে থাকা একটি শিরিষ গাছের মৃত্যুকে ঘিরে।

প্রাথমিক বিভাগের কর্তৃপক্ষের সন্দেহ ৫০ থেকে ৬০ বছরের পুরনো এই গাছটি যেটি এক মাস আগেও সজীব ছিল , সেই গাছের আকস্মিক মৃত্যু কোনো স্বাভাবিক ঘটনা নয়। প্রাথমিক বিভাগের প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিৎ পাল মনে করেন এই গাছের মারা যাওয়ার পেছনে কোনো রহস্য রয়েছে । তাই তিনি সেই বিষয়টি বর্ধমান থানায় অভিযোগ জানান। প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিৎ পাল বলেন, “আমাদের সন্দেহ হচ্ছে গাছটি প্রকৃতিগত কারণে মারা যায়নি। কোনোভাবে এটিকে মারা হয়েছে। আমরা সেটাই পুলিশকে বলেছি। তারা এসেছিলেন। দেখিয়ে গিয়েছেন। এখন তদন্ত করুন। ”

তারপরই বিদ্যালয়ে পুলিশ আসে তদন্তের জন্য এবং বনদপ্তর এর কর্মীরা আসেন এই গাছটি পর্যবেক্ষণ করতে। আর সেখানেই ঘোরতর আপত্তি সেকেন্ডারি বিভাগের প্রধান শিক্ষক শম্ভুনাথ চক্রবর্তীর। শুক্রবার তিনি বর্ধমান থানায় অভিযোগ করেন, গাছটি প্রাকৃতিক নিয়মে মারা গিয়ে থাকতে পারে । তাছাড়াও প্রাথমিক বিভাগের এই স্কুলে কোনো জায়গা নেই। শতবর্ষ ভবনে তাদের শুধু মাত্র ক্লাস করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে । তারপরও প্রাথমিক বিভাগের প্রধান শিক্ষক একটি এত বছরের পুরনো স্বনামধন্য বিদ্যালয়ে পুলিশ ডেকে এনে বিদ্যালয়ের সম্মান নষ্ট করেছেন। তাই শম্ভুনাথ চক্রবর্তী চান প্রাথমিক বিভাগের প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিৎ পাল এর বিরুদ্ধে জেনারেল ডায়েরি করে ব্যবস্থা নেওয়া হোক।

বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের বহু কৃতী ছাত্র মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করেছে। এ ছাড়াও বহু ছাত্র দেশে এবং বিদেশে উচ্চপদে প্রতিষ্ঠিত। তাই সেই স্কুলের দুই প্রধান শিক্ষকের মধ্যে এমন বিতর্ক খুব সহজেই চর্চায় উঠে এসেছে।

এ প্রসঙ্গে প্রাথমিক বিভাগের প্রধান শিক্ষক বিশ্বজিৎ পাল বলেন, ” আমি পুলিশকে বলেছি গাছটা রহস্যজনকভাবে মারা যাবার বিষয়টি তদন্ত করতে। তাতে সেকেন্ডারির প্রধান শিক্ষকের কেন এত গাত্রদাহ হচ্ছে। এই বিষয়টা অনেকটা ঠাকুর ঘরে কে কলা চুরি করেছে তেমন হয়ে যাচ্ছে না? আমি খোঁজ নিয়ে দেখেছি এই স্কুলের আরও অনেক দামী গাছ এভাবে মারা গিয়েছে। বনদপ্তরের কোনো অনুমতি না নিয়ে, টেন্ডার না করিয়ে প্রধান শিক্ষক সেই গাছগুলি বিক্রি করে দিয়েছেন। এটার ক্ষেত্রে তা করতে পারবেন না বলেই কি এত গাত্রদাহ ওনার। “

এ সকল কথার প্রত্যুত্তরে সেকেন্ডারির প্রধান শিক্ষক শম্ভুনাথ চক্রবর্তী বলেন, ” এসব প্রশ্নের উত্তর দিতে রুচিতে বাঁধে। প্রাথমিক বিভাগের এক ফোঁটা জায়গা নেই স্কুলের মধ্যে। ওনারা যখন পুলিশের কাছে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন তখন আমাদের জানালেন না কেন? ওনার সামনে যখন গাছটা মারা যাচ্ছিল তখন উনি বনদপ্তর বিভাগের কাছে জানালেন না কেন? না পারলে আমাদের জানাতে পারতেন। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে নির্দিষ্ট ফোরামে অভিযোগ করতে পারতেন। সেসব না করে তিনি শতবর্ষের প্রাচীন একটি স্কুলে পুলিশ ডেকে এনে কি প্রমাণ করতে চাইলেন? খোঁজ নিয়ে দেখুন প্রাথমিক বিভাগে কিভাবে চলছে স্কুল। “

গতকাল সংবাদমাধ্যমের কাছে প্রাথমিক বিভাগের প্রধান শিক্ষক জানিয়েছিলেন তিনি সমস্ত বিষয়টি সেকেন্ডারির প্রধান শিক্ষকের সাথে আলোচনা করে তবেই পুলিশের কাছে গেছেন। কিন্তু আজ শম্ভুনাথ চক্রবর্তীর বক্তব্যের পর তাকে এ বিষয়ে পাল্টা প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ” আমি কাউকে জানাতে বাধ্য নই। ওটা কথার কথা ,তাই বলতে হয় বলেছিলাম। “

এ বিতর্কে জল কতদূর গড়াবে তা এখনও কল্পনা করা যাচ্ছে না। পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়েছে তারা এই বিষয়ে বনবিভাগের কাছে পরামর্শ নেবেন। প্রাথমিকভাবে পুলিশের মনে হচ্ছে এ গাছটি বাজ পড়ে মারা যেতে পারে। তাই তারা বনদপ্তরের রিপোর্টে অপেক্ষা করছেন

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *