হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

জেলা

বর্ধমানের জমি পুনরায় ফিরে পাওয়ার লড়াই লড়ছে ‘প্রদীপ কন্যা ‘

বঙ্গবাণী ব্যুরো ডেস্ক:- দুপুর হোক বা সন্ধ্যা রাজ্যের সর্বকনিষ্ঠ সিপিএম প্রার্থী পৃথা তা কখনো নবীনদের সঙ্গে আড্ডায় আবার কখনও প্রবীণদের কাছে আর্শীবাদ নিতে পৌঁছে যাচ্ছেন জেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে।একটাই লক্ষ্য তাঁর, অন্ধকারে নিমজ্জিত মানুষগুলোকে আলোর দিশা দেখানো। তাই প্রখর রোদ গরমকে উপেক্ষা করেই তিনি জোরকদমে প্রচার চালাচ্ছেন পাড়ায় পাড়ায়। তিনি সাধারন মানুষের মধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা তৈরি করে ফেলেছেন ইতিমধ্যেই। তাঁর সঙ্গে প্রচারে পায়ে পা মেলাচ্ছেন আট থেকে আশি সকলেই।

দশ বছর আগে বর্ধমানে যে জমি সিপিএম হারিয়েছে সেই জমি পুনরায় ফিরে পাওয়ার চেষ্ঠায় রীতিমত দিনের পর দিন লড়াইয় করে চলেছেন পৃথা। স্থানীয়দের কথায়, বর্তমানে জেলায় জেলায় তীব্র ভাবে বাড়ছে তৃণমূল ও বিজেপির দন্দ। সেই তুলনায় সিপিএম অনেকটা সংযত।এছাড়াও পৃথার কথায় মুগ্ধ প্রতিটা মানুষ এটা তাঁদের কথায় স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে প্রতিটা মানুষের ঘরের মেয়ের মত ভালোবাসা জিতে নিয়েছে এই ভুমিকন্যা। তবে ভোট লড়াইয়ে সে কতটা সফল হবে তার উত্তর ইভিএমে জমা করবে বর্ধমানের মানুষ।


প্রসঙ্গত, এক সময়ের বর্ধমানের সিপিএমের দাপুটে নেতা ছিলেন পৃথা তায়ের পিতা প্রদীপ তা। ২০১২ সালের ২২ শে ফেব্রুয়ারি পৃথার বয়স যখন মাত্র আঠারোর কাছে তখন তাঁর পিতা শহরে সিপিএমের চলাকালীন একটি মিটিংয়ে খুন হন।বাবার মৃতদেহকে সামনে রেখে সেদিনের ছোট্ট মেয়েটি মুষ্টিবদ্ধ হাত আকাশে তুলে শপথ নিয়েছিল তাঁর বাবার এই আত্মত্যাগকে শেষ রক্তের বিন্দু দিয়ে জারি রাখার সেদিনের সেই ছোট্ট মেয়েটি দীর্ঘ নয়টি বছর অতিক্রম করে আজ বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী।ভোটে প্রার্থী হবার পাশাপাশি পৃথা তা একজন ভালো ছাত্রীও বটে।যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সদ্য মাস কমিউনিকেশন বিভাগে উত্তীর্ণ হয়ে বর্তমানে নেট পরীক্ষায় প্রস্তুতি চালাচ্ছে সে।এছাড়াও সে এখন এসএফআয়ের রাজ্য কমিটির সদস্যা।বর্ধমানের ভূমিকন্যা পৃথা তায়ের রাজনীতিতে আসার পিছনে সবথেকে বড়ো অবদান রয়েছে বলে অনেকে মনে করেন প্রয়াত বিধায়কের স্ত্রী চিত্রলেখা তায়ের অদম্য সাহসকে ।কারন তিনি সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত না থাকলেও নিজের মেয়েকে কখনও আটকান নি উল্টে সাহস যুগিয়েছেন প্রতিনিয়ত ,দুর্বিষহ অবস্থায় তাঁর মা তাকে এগিয়ে দিয়েছেন লড়াইয়ের সামনের সারিতে। পৃথার কথায়’ জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে আমরা মানুষের অধিকারের জন্য লড়াই চালিয়ে যাব।ধর্মের নামে যে বিভাজন বাংলার মাটিতে বিজেপি এবং তৃণমূল তৈরি করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তা থেকে বাংলার মানুষকে বাঁচানো আমাদের কর্তব্য। আমরা আমাদের মতাদর্শ,কাজকর্ম নিয়ে সকল মানুষের কাছে পৌঁছাতে চেষ্টা করছি আশা করি এবারের নির্বাচনের ফল ভালো হবে।জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত আমি’।একগুচ্ছ পরিকল্পনাকে সামনে এগিয়ে রেখে স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে ‘ শহিদ কন্যা ‘পৃথা তা ছুটে চলেছে তাঁর শেষ যুদ্ধের প্রস্তুতিতে।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *