www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

জেলা

মানুষের পাশে মেমারীর পাল্লারোড পল্লীমঙ্গল সমিতি

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: করোনা সংক্রমণ রোধে রাজ্যে শুরু হয় ১৫ দিনের আংশিক লকডাউন। টান পড়ে দিন আনা ,দিন খাওয়া মানুষের পেটে। আর ঠিক তখনই ‘মরুক খিদে, বাঁচুক প্রাণ’ এই মন্ত্র নিয়ে মানুষের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে মেমারীর পাল্লারোড পল্লীমঙ্গল সমিতি। অক্সিজেন ব্যাংকের পাশাপাশি তারা আরম্ভ করেছে কমিউনিটি কিচেন ; যার মাধ্যমে পাল্লারোডের পাঁচটি জায়গা থেকে মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে খাবার। পাল্লারোড এর একটা বড় অংশের মানুষ ট্রেনে হকারি করেন। এছাড়া অনেকেই আছেন যারা কলকাতার বিভিন্ন দোকানে কাজ করেন বা দিনমজুরি করেন এবং কিছু মানুষ ভীক্ষাবৃত্তিও করেন। মূলত তাদের জন্যই এই উদ্যোগ। কর্মকর্তারা বলেন আগের বছর লকডাউনে সপ্তাহে দু তিন দিন খাবার বিতরণ করা হয় । কিন্তু এবছর মানুষের কথা ভেবে এই প্রতিদিনের খাবার বিতরণের ব্যবস্থা। প্রথমদিকে সংখ্যাটা কম থাকলেও বর্তমানে সে সংখ্যা এসে দাঁড়িয়েছে প্রায় চারশোর কাছাকাছি।

কর্মকর্তারা প্রথমে বিনামূল্যে খাবার বিতরণের কথা ভাবেন এবং শুরু করেন সেভাবেই। কিন্তু সেখানে মাত্র ৭০ জন মানুষ খাবার নিতে আসে , বাকি বেঁচে যাওয়া খাবার অন্যত্র বিতরণ করতে হয়। আসলে অভাব থাকলেও বিনা পয়সায় খাবার নিতে নারাজ অনেকেই। তাই তারপর শুরু হয় বিনিময় প্রথা অর্থাৎ প্রতিদিন 10 টাকার একটি কুপনের বিনিময়ে দেয়া হয় একবেলার খাবার। যেখানে থাকে থাকে সরু চালের ভাত, রুটি ,ডাল আলু পটলের তরকারি / এচোঁড় চিংড়ি / সয়াবিনের তরকারি, ডিম , চাটনি অথবা মিষ্টি। এবং খাবারের পরিমাণও থাকে যথেষ্ট। যাতে প্রত্যেক মাথাপিছু খরচ হয় প্রায় 40 থেকে 45 টাকা। অর্থাৎ প্রায় ৩০-৩৫ টাকা ভর্তুকি দেওয়া হয় সমিতির তরফ থেকে। উদ্যোক্তারা বলেন, বসে খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়নি। প্রত্যেকে নিজেদের জায়গা নিয়ে এসে সোশ্যাল ডিসটেন্সিং মেনে লাইন দিয়ে খাবার নিয়ে যায়।

ওই লাইনেই দেখা মিলল সনাতন সাহা, পূর্ণিমা ঘোষ, বাদল মাঝির মতো এমন কিছু মানুষের যাদের পারিবারিক অবস্থা অন্যদের মতো অতটাও খারাপ নয় অর্থাৎ তাদের নিজেদের বাড়িতে রান্না করে খাবার মত অবস্থা আছে। কিন্তু তারাও এই 10 টাকার কুপনের বিনিময়ে খাবার নিতে এসেছেন। তাদের জিজ্ঞাসা করা হলে তারা বলেন আমরা নিম্নমধ্যবিত্ত আমাদের পেটের টান পড়লেও আত্মসম্মানের ভয় কারো কাছে হাত পাতার জো নেই ।যেহেতু এখানে কুপনের বিনিময় খাবার দেয়া হচ্ছে তাই পেটের ভাত আর আত্মসম্মান দুটোই সমানভাবে বজায় থাকছে। এই নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষের সংখ্যাটাও প্রায় একশো থেকে দেড়শো।

লকডাউনে নিম্নবিত্ত মানুষদের বিভিন্ন সংস্থার পক্ষ থেকে বিভিন্ন রকম সামগ্রী দান করা হলেও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষ পাননি কিছুই। চাইতেও পারেননি কিছুই। কিন্তু পাল্লারোড পল্লীমঙ্গল সমিতির এই উদ্যোগে শামিল হতে পেরে তারাও আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *