www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে জেলা রাজ্য

চাল নয়, লকডাউন ঘোষণার পর মদের দোকানের লাইন দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হয়েছে

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: নবান্ন থেকে মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় এক পক্ষকালের জন্য বেশ কিছু নিময় চালু করতেই ভিড় জমেছে শহরে বাজার গুলিতে। কার্যত ১৫ দিনের লকডাউন ঘোষনার পরে শনিবার রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে বিকাল থেকেই ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতন। সামাজিক দূরত্ববিধি কে উড়িয়ে জিনিস কিনেছেন মানুষজন। বেশীরভাগ জনের মুখে মাস্ক থাকলেও তা ছিল থুতনিতে। চায়ের দোকানে বসেছে জমিয়ে আড্ডা। দোকান বন্ধের সময় ৭টা হলেও অনেকই লকডাউনের অজুহাতে দোকান খোলা রেখেছে সময় পেরিয়ে যাবার পরেও।

তবে সবথেকে দেখার বিষয়ছিল মদের দোকানের লাইন। বিভিন্ন মদের দোকানের সামনে দেখা গিয়েছে লাইন প্রতি মুহূর্তে দীর্ঘ হয়েছে। অনেকটা জীবনদায়ি ওষুধ কেনার মতন ভিড়। হাসপাতাল বা স্বাস্থ্য কেন্দ্র গুলিতে ভ্যাকসিন নেবার জন্য ছিল এত ভিড় যা ছিল মদ কেনার জন্য। আর এই লাইন দেখে সাধারণ মানুষের প্রশ্ন ভাত না মদ কোনটা বেশী জরুরি? মদের দোকানের সামনে লাইনে দাঁড়ানো গোপাল সরকার বলেন, ‘আগেরবার এমন করেই সাতদিন, দশদিন করে একেবারে সবকিছু বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। একেবারে তিনমাস লকডাউনের জেরে বন্ধ ছিল মদের দোকান। লোকে সিগারেট-বিড়ি কিনলে দোষ নেই। আর মদ কেনার জন্য লাইন দিয়ে দাঁড়িয়েছি বলেই কি চোখে পড়ছে সবার? এটাও তো নেশারই জিনিস। খুবই সমস্যায় পড়েছিলাম আগেরবার। অনেক বেশী টাকা দিয়ে ব্ল্যাকে কিনেছি। এবারে তাই আগে থেকে কিছুটা কিনে রাখছি। আবারও লকডাউন হয়ে গেলে চাল-ডাল পেয়ে যাবো। মদ কিন্তু পাবো না তখন।’ মেমারি বাসিন্দা শেখ হাসমত হোসেন বলেন, ‘লকডাউনের সময়ে ভাত খেতে না পেয়ে একজনও মারা গিয়েছে ? কোন পরিসংখ্যান আছে আপনাদের কাছে? মদ না পেয়ে নেশার জন্য স্পিরিট বা স্যানিটাইজার খেয়ে মারা গিয়েছে অনেকজন। তাই আমরা যারা মদ খেয়ে নেশা করি তারা যদি মদ কিনে রাখি তাতে কার সমস্যা হচ্ছে? আমাদের জন্য সরকারের ঘরে বাড়তি রেভিনিউ ঢুকছে সেটাও একবার ভাবতে অনুরোধ করব।’

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *