হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

জেলা

জাতীয় পুরস্কার মায়ের হাত থেকে গ্ৰহণ করল মেমারির দিগন্তিকা বোস

বঙ্গবাণী ব্যুরো ডেস্ক:- মায়ের হাত থেকে পুরস্কার গ্রহণ করতে কার না ভালো লাগে বলুন?তবে সেই সৌভাগ্য হয় কজনের?মেমারির মেয়ে দিগন্তিকা কিন্তু সেই সৌভাগ্য অর্জন করতে পেরেছে ।ছোটোখাটো পুরস্কার নয় একেবারে জাতীয় পুরস্কার গ্রহণ করেছে তাও আবার নিজের মায়ের হাত থেকে।ভাবুন তো কত সুন্দর সে দৃশ্য!

ঘটনাটি আশ্চর্যনীয় হলেও কিন্তু সত্যি। বিগত একবছর ধরে করোনা সংক্রমণের ভয়াবহতায় বিপর্যস্ত গোটা দেশ।এই পরিস্থিতিতে মঞ্চে উপস্থিত হয়ে পুরস্কার গ্রহণের সুযোগ না থাকায় শেষমেশ জাতীয় নির্বাচক সংস্থার সিদ্ধান্তে নিজের বাড়িতে দাঁড়িয়ে মায়ের হাত থেকে জাতীয় পুরস্কার ড.এ.পি.জে আবদুল কালাম চিলড্রেন ক্রিয়োটিভিটি অ্যানড ইনোভেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২০-২১ গ্রহণ করলেন মেমারির মেয়ে দিগন্তিকা বোস।ভারত সরকার সংস্থা, কাউন্সিল অফ সায়েন্টিফিক এন্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ ইন্ডিয়া, হানি বি নেটওয়ার্ক, সোসাইটি ফর রিসার্চ এন্ড ইনিশিয়েটিভ ফর সাসটেনেবল টেকনোলজিস এন্ড ইনস্টিটিউশন এন্ড গ্রাসরুট ইনোভেশন অগমেনটেশন নেটওয়ার্কের যৌথ উদ্যোগে সারা ভারতের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী এবং সৃজনশীল ধারণাকে প্রকাশ্যে আনার জন্য জাতীয় প্রতিযোগিতার আয়োজন করে প্রতিবার ।এরকম উদ্যোগ গ্রহণের অন্যতম কারণ হল শিক্ষার্থীরা বড়ো হবার সাথে সাথে সামাজিক জড়তা কাটিয়ে উঠে সমাজে নিজেদের সঠিক ধারণার মাধ্যমে আরও যাতে সৃজনশীল পরিবর্তন আনতে সক্ষম হয়। ২০০৮ সাল থেকে ভারতে প্রতি বছর এই জাতীয় পুরস্কারের অনুষ্ঠানটি হয়ে থাকে।
এর আগেও একাধিকবার জাতীয় পুরস্কার অর্জন করেছেন দিগন্তিকা । তবে এবারে তার পুরস্কার গ্রহণের চিত্রটা সম্পূর্ণ আলাদা ,এবারের জাতীয় পুরস্কারকে ঘিরে দিগন্তিকার চোখে মুখে এক অদ্ভুত আনন্দ উৎসাহের ছাপ । তার কথায় ‘আগে অনেকবার জাতীয় পুরস্কার অর্জন করেছি ঠিকই তবে এবারে কোভিডকালে সরাসরি মঞ্চে উপস্থিত হয়ে পুরস্কার না নিতে পারলেও মায়ের হাত থেকে জাতীয় পুরস্কার যে গ্রহণ করছি তা সত্যিই এক অন্যরকম অনুভূতি যা বলে বোঝানো সম্ভব নয় ‘।
দিগন্তিকা ছাড়াও মোট নয় জনকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়েছে । প্রায় ৯০০০ সৃজনশীল ধারণা এবং নয়া প্রোটোটাইপ নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করেছিল ২২টি রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা।তারপর সেগুলি নিয়ে পর্যালোচনা করেন অধ্যাপক অনিল কে গুপ্তা সি এস আই আর ভাটনগর ফেলো, পিভিএম রাও (অধ্যাপক এবং প্রধান, ডিজাইন বিভাগ আইআইটি-দিল্লি), ডাঃ বিশ্বজননী সত্তীগরী (প্রধান , সি এস আই আর-টি কে ডি এল), বিজয়া শেরি চাঁদ (অধ্যাপক ও চেয়ারপারসন, রবি জে মঠাই সেন্টার ফর এডুকেশনাল ইনোভেশন, আর জে এম সি আই আই, আই আই এম), আম্বরিশ ডংরে (অধ্যাপক, আর জে এম সি আই আই, আই আই এম), প্রমিলা ডি’ক্রুজ (অধ্যাপক, আই আই এম), নবদীপ মাথুর (প্রফেসর, আই আই এম এ), ডাঃ বিপিন কুমার, পরিচালক এবং চিফ ইনোভেশন অফিসার, এন আই এফ, ডঃ নীতিন মৌর্য (বিজ্ঞানী, এন আই এফ) এবং ডাঃ অনামিকা দে (সি ই ও, জি আই এ এন এবং ভিজিটিং অনুষদ, আই আই এম এ) বিশেষ পর্যালোচনা কমিটির সকল সদস্যরা একত্রিত হয়ে জাতীয় পুরস্কার প্রদান করেন।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *