হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

জেলা

মেদিনীপুরের বিখ্যাত ঝাল রসগোল্লা


বঙ্গবাণী নিউজ, পশ্চিম মেদিনীপুর: “মিষ্টি কিন্তু ঝাল”! ‘ঝাল রসগোল্লা’ শুনে অনেকে ভ্রু কুঁচকে বলেন, সেটা আবার কী? অনেকে বলেন, এসব গল্প। ‘সোনার পাথরবাটি’ কিংবা ‘কাঠালের আমস্বত্ত’ র মতো ব্যাপার। খাদ্য রসিক বাঙালির প্রিয় খাবারের মধ্যে অন্যতম ভালোলাগা মিষ্টি। বিশেষ করে রসগোল্লা। কেউ কেউ মজা করে বলেন, ‘এখন মিষ্টি বাঙালির রক্তে চিনি আর ধমনীতে কোলেস্টেরল’। তাই তার ভোজনরসিকতা কেবল নস্ট্যালজিয়া হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু এসবকিছুর পরেও কিছু খাবার দেখলে ভোজনরসিক বাঙালির জিভে জল আসে। অনেকের মিষ্টি খাওয়া নিষেধ। তাই মিষ্টিকে তৈরি করা হচ্ছে ঝাল স্বাদে। বর্তমানে মেদিনীপুরে ব্যাপক চাহিদা ঝাল রসগোল্লার।

কদিন আগে রসগোল্লা নিয়ে তৈরি হয়েছিল বিতর্ক। রসগোল্লা তুমি কার? এখন অবশ্য এই বিতর্কের অবসান হয়েছে। এই প্রশ্নের উত্তর অনেক দিন আগেই দিয়েছিল জিওগ্রাফিকাল ইন্ডিকেশন (GI) ট্যাগ। কিন্তু তাতে সন্তুষ্ট হয়নি প্রতিবেশী রাজ্য ওড়িশা। ওড়িশার মিষ্টি ব্যবসায়ীদের দাবি ছিল বাংলার নয়, রসগোল্লা ওড়িশারই। অবশেষে বিতর্কের অবসান ঘটিয়ে চেন্নাইয়ের জিআই আদলেতের তরফে চূড়ান্ত রায়ে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হল, রসগোল্লা পশ্চিমবঙ্গের, রসগোল্লা বাংলারই। জি আই পেয়েছে বাংলায় রসগোল্লা। রসগোল্লা নিয়ে বিতর্ক যাই থাক, ঝাল রসগোল্লা কিন্তু মেদিনীপুরের। মেদিনীপুরের রাধাকান্ত সুইটসের তৈরি ঝাল রসগোল্লা কিনতে লোক আসেন দূর দূরান্ত থেকে। করোনা কালে নির্দিষ্ট সময় মেনে দোকাল খোলা, বন্ধের জন্য খদ্দের কিছুটা কম হলেও চাহিদা রয়েছে ঝাল রসগোল্লার।

কথিত আছে, বাংলায় ১৮৬৪ সালে নবীনচন্দ্র দাস প্রথম রসগোল্লা তৈরি করতে শুরু করেন। ওড়িশার মিষ্টি ব্যবসায়ীরা নাকি রসগোল্লা তৈরি শেখে বাংলার দেখে। রসগোল্লা নাকি প্রথম তৈরি হয়েছিল এই বাংলারই নদীয়াতে।

জানা গিয়েছে, আজ থেকে প্রায় বছর দুই আগে মেদিনীপুরের ঝাল রসগোল্লা প্রথম তৈরি করে রাধাকান্ত সুইটস। ওই দোকানের মালিক অরিন্দম সাউ জানান, ‘বছর দুই আগে আমরা ঝাল রসগোল্লা তৈরি ও বিক্রি শুরু করি। এর আগে সাদা রসগোল্লা, নলেন গুড়ের রসগোল্লা, কেশর রসগোল্লা, ম্যাঙ্গো রসগোল্লা তৈরি করতাম। মানুষের চাহিদা পরিবর্তন হয়েছে। তাই আমরা মিষ্টিতেও বৈচিত্র আনার চেষ্টা করছি’।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *