Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে জেলা রাজ্য

রোগী পরিষেবায় নিজের গাড়ি ‘রেড ভলান্টিয়ার’দের হাতে তুলে দিলেন খড়গপুরের গৃহবধূ

বঙ্গবাণী ডেস্ক,পশ্চিম মেদিনীপুরঃ করোনা পরিস্থিতিতে রোগী পরিবহন ও পরিষেবা প্রদানের জন্য নিজেদের চার চাকা মারুতি গাড়ি ‘রেড ভলেন্টিয়ার’দের হাতে তুলে দিলেন খড়্গপুরের এক গৃহবধূ। রবিবার খড়্গপুরে ‘রেড ভলান্টিয়ার’দের স্বেচ্ছাশ্রমের ৭৫ দিন পূর্ন হল। সেই উপলক্ষ্যে এক ছোট্ট অনুষ্ঠানে করে খড়্গপুরের হিজলী সমবায় সমিতি এলাকার বাসিন্দারা। শ্রীমতি সুতপা দাশগুপ্ত তাঁর চার চাকা গাড়ি চাবি সহ তুলে দেন ‘রেড ভলেন্টিয়ার’দের হাতে।

খড়্গপুরে এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডাঃ ফুয়াদ হালিম। উপস্থিত ছিলেন সিপিএম নেতা বিজয় পাল, সবুজ ঘোড়াই, হরেকৃষ্ণ দেবনাথ, স্মৃতিকণা দেবনাথ অনেকেই।  জানা গিয়েছে, খড়্গপুরের ওই গৃহবধূর শ্বশুর  প্রয়াত ননীগোলাপ দাশগুপ্ত একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন। রেড ভলেন্টিয়ারদের কাজ দেখে রোগী পরিবহন ও পরিষেবার কাজে সাহায্য করার জন্য নিজের গাড়িটি তুলে দিলেন কোভিড পরিস্থিতিতে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা ‘রেড ভলেন্টিয়ার’দের হাতে।

গৃহবধূ সুতপা দাশগুপ্ত’র বলেন, ‘আমরা কোনও প্রচার পাওয়ার আশায় আমাদের গাড়িটি দিইনি। আমার শ্বশুরমশাই স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন। মানুষের যাতে উপকারে লাগে, তাই এই কঠিন পরিস্থিতিতে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করা রেড ভলেন্টিয়ারদের হাতে গাড়িটি তুলে দিলাম। একজন মানুষ হিসেবে ওদের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি মাত্র। আমাদের  নাম প্রচার করার প্রয়োজন নেই। গাড়িটি যাতে মানুষের কাজে লাগে সেটা প্রচার করুন।’

সারা রাজ্যের সঙ্গে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতেও রেড ভলেন্টিয়াররা ঝুঁকি নিয়ে করোনা রোগীদের পরিষেবায় কাজ করে চলেছেন। গৃহবধূর দেওয়া গাড়ির পাশে লাল স্টিকার দিয়ে লেখা ‘রেড ভলেন্টিয়ার।’ যোগাযোগের জন্য লেখা রয়েছে ৯৫৪৭৮১৮৩৩৪, ৭০০১০৫৫৭৮০,    ৯৪৩৪৮৯৪২২১ এই তিনটি নম্বর। খড়্গপুর রেড ভলেন্টিয়ারদের পক্ষে অমিতাভ দাস বলেন,  ‘এই অতিমারির সময়ে বিগত ৭৫দিন কাজ করছেন আমাদের স্বেচ্ছাসেবক বন্ধুরা। এই ভয়াবহ সময়ে ‘জন-স্বাস্থ্য পরিষেবা সহায়তা কেন্দ্র’ নাম দিয়ে আমরা এই কাজ শুরু করেছিলাম, যা এখনও চলছে।  লকডাউনে টেলি-মেডিসিন, রোগী সহ পরিবারকে রান্না করা খাবার, ওষুধ পৌঁছে দেওয়া সহ যেকোন জরুরী প্রয়োজনে আমাদের স্বেচ্ছাসেবকরা কাজ করছেন। সুতপা দাশগুপ্তের এই মহৎ দান আমাদের কাজে আরও উৎসাহ জোগাল।’  

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *