Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

জেলা রাজ্য

ঘরে ফিরতে চাওয়ার মরশুমে এই দলবদলুরা কি বলছেন দেখে নিন

বঙ্গবাণী নিউজ :বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে বিজেপির কার্যত ভরাডুবির পর শুরু হয়েছে দলবদলু নেতাদের একে একে ঘরে ফেরার পালা। ভোটের ফল প্রকাশের পরেরদিনই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বয়ং ঘোষণা করেন, দলত্যাগী রা দলে ফিরতে চাইলে স্বাগত। আর তারপরই সোনালী গুহ ও সরলা মুর্মুর দলে ফিরতে চেয়ে আবেদন। তাই বাকি দলবদলু নেতাদের নিয়েও গুঞ্জন শুরু হয়েছে এবার।

বঙ্গ রাজনীতিতে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া নেতা-নেত্রীদের মধ্যে শুভেন্দু অধিকারীর পরেই সব থেকে বেশি চর্চিত হয়েছিলেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি এই বিধানসভা নির্বাচনে ডোমজুড় বিধানসভা কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে পরাজিত হন। তারপর থেকেই বিজেপিতে তার সক্রিয়তা কমে আসে । তার ফেসবুকেও বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা যায় । ভোটের ফলাফলের আগে পর্যন্ত তার পোস্টে বিজেপির লোগো লাগানো থাকত। কিন্তু ভোটে বিজেপির পরাজয় এর পর থেকে সেই লোগো আর দেখতে পাওয়া যায় না। আর সেখানেই প্রশ্ন ওঠে যে , তাহলে কি তিনি পুনরায় তৃণমূলে ফিরে আসবেন? প্রশ্নের উত্তরে রাজীব জানিয়েছেন, “এখন আমি করোনা মোকাবিলায় ব্যস্ত রয়েছি। এই পরিস্থিতিতে আমি রাজনীতি নিয়ে কথা বলবো না।” যদিও এই উত্তরের পরও তাকে নিয়ে গুঞ্জন থামেনি।

আরেক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অমল আচার্য যিনি উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারের বিধায়ক ছিলেন তিনিও ভোটের টিকিট না পেয়ে নাম লিখিয়েছিলেন গেরুয়া শিবিরে। তবে তিনি ইতিমধ্যেই তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলে ফেরত আসতে চেয়ে চিঠি লিখেছেন বলে জানা যায়।

অমল আচার্যর মতোই দীপেন্দু বিশ্বাস ও টিকিট না পাওয়ায় নাম লেখান বিজেপিতে। কিন্তু ভোটের ফল প্রকাশের পরই বিজেপির সাথে সম্পর্ক ত্যাগ করেন । জানতে চাওয়া হলে বলেন নারদা কান্ডে গ্রেফতারের প্রতিবাদে তিনি গেরুয়া শিবির ত্যাগ করেছেন। এবং তিনিও অমল আচার্যর মতো তৃণমূলে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

তবে ভোটের আগে বিজেপিতে যোগ দেওয়া আরেক প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্য নির্বাচনে পরাজিত হলেও তিনি তৃণমূলে ফিরছেন না বলেই দাবি করেন।

মুকুল রায়ের হাত ধরে বেশ কয়েক বছর আগেই বিজেপিতে নাম লিখিয়েছিলেন সব্যসাচী দত্ত। তিনি এবার বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং তৃণমূল প্রার্থী সুজিত বসুর কাছে পরাজিত হন । কিন্তু সব্যসাচী বাবু তৃণমূলে ফিরে আসার কোনো রকম ইচ্ছা প্রকাশ করেননি।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের বিরুদ্ধে একাধিক কথা বলায় দল থেকে বহিষ্কার করা হয় বালি প্রাক্তন বিধায়ক বৈশাখী ডালমিয়া কে। এবং পরে তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। বিজেপি থেকে বালি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সুযোগ পেলেও তার পরাজয় হয়। তবে তিনিও অরিন্দম ভট্টাচার্য এবং সব্যসাচী দত্ত এর মত তৃণমূলে না ফেরার দাবিই করেছেন।

ফল প্রকাশের পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনে তৃণমূলে ফেরার জন্য দলবদ্ধ নেতাদের কার্যত হিড়িক পড়ে গেছে। এরইমধ্যে রবিবার তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন , দলত্যাগী নেতাদের ছয় মাসের আগে দলের ফেরানো যাবে না। তাই এখন দেখার বিষয় আরও কে কে গেরুয়া শিবির ত্যাগ করে ঘরে ফেরার আবেদন জানায়। এবং কবেই বা তাদের দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *