Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

জেলা রাজ্য

করোনার বিধি নিষেধ মানা হচ্ছে না টিকার লাইনে

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ : করোনা টিকা নেওয়ার লাইনে উধাও শারিরিক দূরত্ব। পাশাপাশি মানা হচ্ছে না কোনও বিধি নিষেধ। এমই অবস্থা দেখা গেছে ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতাল ও জেলাশাসকের অফিসের সামনে লোক সংস্কৃতি মঞ্চে। সেখানেই চলছে করোনার টিকা দেওয়ার কাজ। স্বাস্থ্য কর্মীরা সতর্ক করা সত্ত্বেও সমস্ত নিষেধ কে উপেক্ষা করে টিকা নেবার জন্য লম্বা লাইন দিচ্ছে সাধারন মানুষ। রীতিমত ঠেলাঠেলি করে একসঙ্গে সবারই ভিতরে ঢোকার চেষ্টা চলতে থাকে। ভিতরে থাকা সিভিল ডিফেন্স ভলেন্টিয়াররা অনুরোধ করেও কিছু করতে পারেননি।এমন পরিস্থিতি তৈরী হয় যার জন্য করোনা বিধি মানতে মাইকে ঘোষনা করতে বাধ্য হন স্বাস্থ্য কর্মীরা।

পরিস্থিতি সামাল দিতে কিছু সময় বন্ধ করা হয় ভ্যাকসিন দেবার কাজ। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলে আবার টিকা দেওয়া শুরু করা হয় । সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে ফোন পেয়ে অতিরিক্তি জেলাশাসক অনির্বাণ কোলে বিষয়টি দেখার জন্য বর্ধমান থানায় ফোন করেন। পুলিশ এসে লাইন ঠিক করার কাজ করে ঠিকই কিন্তু চলে গেলে পরিস্থিতি আবার একই রকম হয়ে যায়। এদিন মুলত হকার ও পরিবহণ দপ্তরের কর্মীদের টিকা করণের কাজ চলছিল।


একই অবস্থা দেখা যায় ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালেও। সেখানে সরকারি স্থায়ী, অস্থায়ী কর্মচারী, ব্যবসায়ী, সবজি বিক্রেতা, রেশন ডিলার, ব্যাঙ্ক কর্মচারি, পঞ্চায়েতের প্রতিনিধি, স্কুল শিক্ষক, পেট্রোল পাম্পের কর্মচারীদের টিকাকরণের কাজ শুরু হয়েছে। ভাতার হাসপাতালের বিএমওএইচ সংঘমিত্রা ভৌমিক যদিও এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করে নি। তিনি বলেছেন,‘কোভিড বিধি মেনেই টিকাকরন করতে হবে।

টিকা নেওয়ার লাইনে কি হয়েছে বলতে পারবো না। তবে সাধারণ মানুষকে স্যানিটাইজার দেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে মানুষকে সামাজিক দুরুত্ব বজায় রেখে দাড়াতে বলা হচ্ছে। এর থেকে আমাদের কিছু করার নেই।’ ভাতারের বিধায়ক মানগোবিন্দ অধিকারি বিষয়টি জানার পরেই হাসপাতালে আসেন। তিনি দাঁড়িয়ে থেকে শারিরিক দূরত্ব বজায় রেখে লাইন ঠিক করেন। তিনি বলেন, ‘বিএমওএইচ কে অন্যান্য স্বাস্থ্য কেন্দ্রে থেকেও টিকাকরন করার জন্য। এতে ভিড়টা এড়ানো কিছুটা সম্ভব হবে। সবাই ভ্যাকসিন পাক সেটাই সরকারের লক্ষ্য। কিন্তু এভাবে ভিড় করে টিকা নিলে করোনা আক্রান্ত হয়ে যাবার আশঙ্কা থাকছে।’ জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রনব রায় বলেন,‘ এখনও মানুষ নিজে সচেতন নন। আমরা শারিরিক দূরত্ব আর মাস্ক পড়ার জন্য বারবার আবেদন করছি সেক্ষেত্রে কিছু বলার থাকে না।’

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *