www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com, www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com www.bongobanii.com, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

জেলা নস্টালজিয়া

অনাড়ম্বরেই কেটে গেল বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মদিন

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: অতিমারী পরিস্থিতিতে বিধিনিষেধ মেনে অন্যান্য পরিষেবা চালু হলেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ প্রায় দু’বছর। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে যোগাযোগ মাধ্যম শুধু অনলাইন ক্লাসটুকু। আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সেইটুকু যোগাযোগও আর অবশিষ্ট নেই। তাই এবারেও বিনা আড়ম্বরে কেটে গেল বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মদিন। জন্মদিনেও ঝরাপাতার স্তুপ ও বিনা পরিচর্যায় বেড়ে ওঠা সবুজ ঘাসের মধ্যে ডুবে রইল একাকী বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাঁকা রুমগুলো।

উত্তর ফটক প্রশাসনিক ভবন

১৯৬০ সালের ১৫ ই জুন পথ চলা শুরু হয়েছিল বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের। গোলাপবাগে বর্ধমান রাজবাড়ী ঘরগুলিতে সাতটি বিভাগ নিয়ে শুরু হয়েছিল তাদের প্রথম যাত্রা। বিশ্ববিদ্যালয় প্রথম উপাচার্য হন সুকুমার সেন। ১৯৬২ সালে বিশ্ববিদ্যালয় গোলাপবাগ থেকে উঠে এসে উত্তর ফটকে রাজবাড়ীরই অন্য একটি অংশে স্থাপিত হয়। সেখানে প্রশাসনিক অফিস এবং ক্লাস শুরু হয়। তবে পরবর্তী সময়ে উত্তর ফটকের অংশটিতে ছাত্র-ছাত্রীদের জায়গার সংকুলান না হওয়ায় আবারও গোলাপবাগ ক্যাম্পাস এ বিভিন্ন ভবন তৈরি করে পড়াশোনা শুরু করা হয় এবং উত্তর ফটকের রাজবাড়ির অংশটিকে শুধুমাত্র প্রশাসনই অফিসের কাজে ব্যবহারের জন্য স্থির করা হয়। উপাচার্যও এই প্রশাসনিক অফিস থেকেই চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্ত কাজ। আর প্রথমে যে বিল্ডিংটিতে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছিল , সেই বিল্ডিংটিতে বর্তমানে বিএড এর ক্লাস করানো হয়।

প্রথমে কেবলমাত্র সাহিত্য বিভাগ নিয়ে শুরু হলেও, পরবর্তীকালে বিজ্ঞান বিভাগ, ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং মেডিকেল বিভাগেরও পঠন-পাঠন শুরু হয়। বর্তমানে প্রায় ৪ হাজার ছাত্র-ছাত্রী এবং আড়াইশো স্থায়ী অস্থায়ী অধ্যাপক এবং অধ্যাপিকার শিক্ষাচর্চা সমৃদ্ধ বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে ৩৩ টি বিভাগের ছাত্র ছাত্রী রিসার্চ স্কলার এবং অধ্যাপক অধ্যাপিকা দেশ আগমনে রোজ নতুন করে প্রাণ প্রতিষ্ঠা হত বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থ শংকর রায় এক সময় এই বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছিলেন প্রাণীবিদ্যা বিভাগের উদ্বোধনে।

মঙ্গলবার সকালে সমস্ত রকম করোনার বিধিনিষেধ মেনেই অনাড়ম্বরে পালন করা হল বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মদিন। উত্তর ফটকে প্রশাসনিক বিভাগ প্রাঙ্গণে বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তোলন করলেন উপাচার্য নিমাই চন্দ্র সাহা। তিনি বলেন, ” এই দিনে আমরা সবাই কেমন আবেগতাড়িত হয়ে পড়ি। আগেরবারও কিছু করতে পারিনি আমরা। এবারেও তাই। আসলে ৬১ বছরের একটা প্রতিষ্ঠান। কত মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী এখান থেকে পড়াশোনা করে দেশে বিদেশে প্রতিষ্ঠিত। সেই ইতিহাস দেখে নিজেরই গর্ব হয়।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী অর্পিতা ঘোষ এবং সঞ্চারী সাহারও মন খারাপ এভাবে তাদের প্রিয় বিশ্ববিদ্যালয়কে একাকিত্বে ডুবে যেতে দেখতে। তাদের কথায়, যে বিশ্ববিদ্যালয় সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সর্বত্রই ছাত্র-ছাত্রীদের কলরোলে মুখরিত থাকত এখন সেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে দেখলে খুবই খারাপ লাগে। বিশ্বের দরবারে সমাদৃত বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্মদিন পালন এভাবে ভাবাই যায় না। অনলাইন ক্লাস এর মাধ্যমে পড়াশোনা হলেও কখনোই শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে সম্পর্কের সূতো বোনা হয় না।

পরিস্থিতি হয়তো একদিন স্বাভাবিক হবে আবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গন ভরে উঠবে ছাত্র-ছাত্রী অধ্যাপক অধ্যাপিকা রিসার্চ স্কলারদের নিয়ে। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রী তারা কখনোই বুঝবে না ক্যাম্পাসে বা ক্যান্টিনের আড্ডা দেওয়ার আনন্দ , বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক অনুষ্ঠানে সবাই মিলে একসাথে প্রজেক্ট করার আনন্দ বা প্রোগ্রামের সন্ধ্যেবেলায় একসাথে আনন্দে মেতে ওঠার আনন্দ। তবুও আশা রাখি ভবিষ্যতের শিক্ষার্থীরা যেন আবারও আপন করে পায় আমাদের প্রিয় বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়কে। যেন আবারও অতীতের মতো শিক্ষক-শিক্ষার্থী সুসম্পর্ক পুনরায় গড়ে ওঠে।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *