Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

জেলা রাজ্য

ফের প্রচুর পরিমান তাজা বোমা উদ্ধার কেশপুরে

বঙ্গবাণী ব্যুরো ডেস্ক,পশ্চিম মেদিনীপুর: কেশপুর নামের সঙ্গেই যেন জড়িয়ে রয়েছে বোমা-বন্দুক। তবে ভোটের ফল প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই বারুদের স্তুপের ওপর দাঁড়িয়ে আছে কেশপুর। কেশপুরে রাজনৈতিক সংঘর্ষ, বোমা উদ্ধার নতুন কোনও ঘটনা নয়। বাম জামানা থেকে তৃণমূলের সময় সংবাদের শিরনামে একাধিক বার উঠে এসেছে কেশপুরের নাম। বুধবার রাতে ফের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার কেশপুরের বিকলচক গ্রাম সংলগ্ন মাঠে বেশকয়েকটি প্লাস্টিকের ডাব্বা ভর্তি তাজা বোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকাতে। পুলিশ বোমা গুলি উদ্ধার করে নিষ্ক্রিয় করার জন্য নিয়ে গেছে। কে বা কারা কী কারনে এই তাজা বোমা মজুত করে রেখেছিল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

রাজ্যের পাশাপাশি ভোট পরবর্তী হিংসা অব্যাহত রয়েছে কেশপুরও। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত বিকলচক গ্রাম থেকে এই বিপুল পরিমান বোমা উদ্ধারের পর তৃণমূল নেতাদের দাবি, ভোটের আগে কিছু লোকজন ভেতরে ভেতরে বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে এই বোমা মজুত করে রেখেছিল। ভোটে জিতলে তৃণমূলের উপর হামলা করত। বিজেপির পাল্টা দাবি, বিকলচক গ্রামে বিজেপির কোনও সমর্থকই নেই। তৃণমূলই সন্ত্রাস সৃষ্টি করার জন্য বোমা মজুত করে রেখেছিল। ভোটের পর বিভিন্ন গ্রামে হামলাও চালাচ্ছে। বিজেপি বোমা বন্দুকের রাজনীতি করেনা।’

সংঘর্ষ, খুন, বাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনার বিরাম নেই পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতে। গ্রামে গ্রামে বেআইনি বোমা, বন্দুক মজুত রয়েছে। সামান্য ঘটনাতেই বোমা, গুলি, সংঘর্ষ, খুন, জখম দেখতে দেখতে অতিষ্ঠ কেশপুরের মানুষ। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন, মানুষ ভোট দিয়েছে তৃণমূল প্রার্থী শিউলি সাহাকে। জিতেছেন সেই প্রার্থী। তারপরও এত গোলমাল কেন? কবে বদলাবে কেশপুর?  পুলিশ-প্রশাসনের উদাসীনতাকেই দায়ী করছেন সাধারণ বাসিন্দারা।

নির্বাচনের কয়েক মাস আগে কেশপুরের দামোদরচকে শাসক দলের গোষ্ঠী সংঘর্ষে এক ছাত্র সহ দুটি নিরীহ প্রাণ চলে যাওয়ার পর কেশপুরে বেশকিছু  বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। সেসময় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা তৃণমূলের সভাপতি অজিত মাইতিও পুলিশের কাছে দাবি করেছিলেন, ‘কেশপুরের মজুত করা সমস্ত বেআইনি অস্ত্র, বোমা-বন্দুক উদ্ধার করা হোক।’

শুধু কেশপুর নয় জেলার বিভিন্ন এলাকায় অশান্তি বন্ধ করতে কর্মীদের উদ্দেশ্যে কড়া হুশিয়ারি দিয়েছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি অজিত মাইতি। তিনি বলেন, ‘কোথাও কোনও গোলমাল বরদাস্ত করা হবেনা। প্রয়োজনে দলের লোকজনকেও গ্রেপ্তার করিয়ে দেওয়া হবে।’ বৃহস্পতিবার জেলায় এসেছেন বিজেপি কেন্দ্রীয় নেতা, প্রতি মন্ত্রী এম মুরলীধরণ ও রাহুল সিনহা। মেদিনীপুরে পাঁচখুরি এলাকায় আক্রান্ত বিজেপি কর্মীদের বাড়ি পরিদর্শন করেন বিজেপির কর্মী সমর্থকরা।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *