Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

দেশ

চেন্নাইয়ের প্রায় একশো বছরের পুরনো চিত্রলপক্কম হ্রদের সংস্কারের কাজ শেষ হবে বর্ষার আগেই

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: প্রায় একশো বছরের পুরনো চেন্নাইয়ের চিত্রলপক্কমের চিত্রলপক্কম হ্রদের উন্নয়নের কাজ দুই বছর আগে শুরু হয়ে গেছে। ২০১৯ সালের জুন মাসে পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট বা পি ডব্লিউ ডি এর সবুজ সংকেতে জল সম্পদ দপ্তর এই কাজ শুরু করে। কিন্তু গত বছর করোনা ভাইরাসের প্রকোপে এই কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হয় জল সম্পদ দপ্তর।

গোটা দেশ বর্তমানে আনলকের প্রক্রিয়া শুরু করলে সোমবার থেকে চেন্নাই জুড়ে বিধিনিষেধ কমতে শুরু করেছে, ফলে চিত্রলপক্কমের বাসিন্দারা এবং স্বেচ্ছাসেবক দল এখন আশাবাদী যে চলতি বছরে বর্ষা শুরুর আগেই বরাদ্দ পঞ্চান্ন লাখ টাকা তাদের এই উন্নয়নের কাজে ব্যবহার করা হবে। ২০১৪ সালে গঠিত চিত্রলপক্কম রাইজিং নামে একটি শক্তিশালী স্বেচ্ছাসেবক দল যা বিভিন্ন সামাজিক কাজ এবং রাস্তাঘাট পরিষ্কারের কাজে আরটিআই প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন পর্যবেক্ষণের কাজ করে থাকে। চিত্রলপক্কম রাইজিং এর একজন দক্ষ স্বেচ্ছাসেবক সুনীল জয়রামন একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন “দুর্ভাগ্যজনক ব্যাপার যে মহামারী ভারতে ছড়িয়ে পড়ায় এই হ্রদের উন্নয়নের কাজ থমকে যায়। কর্মকর্তারা অর্ধেক শ্রমিক দিয়ে এই উন্নয়নের কাজ চালিয়ে যাবার চেষ্টা করলেও করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় তরঙ্গের জন্য সম্পূর্ণ কাজ থমকে পড়ে আছে।” গত সোমবার থেকে বিধি-নিষেধ কিছুটা কমায় ওই স্বেচ্ছাসেবকদের হ্রদের উন্নয়নের কাজে হাত লাগাতে দেখা গেছে। সুনীল জয়রামন জানিয়েছেন “পাবলিক ওয়ার্কস ডিপার্টমেন্ট বা পি ডব্লিউ ডি এর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন চলতি বছরের আগস্ট মাসের মধ্যে হ্রদের উন্নয়নের কাজ শেষ হয়ে যাবে। অর্থাৎ বর্ষার আগেই হ্রদের উন্নয়নের কাজ শেষ হয়ে যাবার সম্ভাবনা রয়েছে।” প্রতিবার ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে এই হ্রদের উন্নয়নের কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হয় কর্মকর্তারা। এই বছরেও গত মাসে বৃষ্টিপাতের অধিক জল ফেলে দিতে হয়েছিল হ্রদ থেকে। সুনীল জয়রামন জানিয়েছেন “হ্রদের পঞ্চাশ থেকে পঞ্চান্ন শতাংশ কাজ হয়ে আছে। আমাদের উদ্দেশ্য নদীর মাঝখানে একটি দ্বীপ তৈরি করে দেওয়া যেখানে প্রাকৃতিক পরিবেশে পাখিরা এসে বসবাস করতে পারে।” মাটির ক্ষয়ক্ষতি বাঁচিয়ে রেখে ওই দ্বীপের সাথে গ্রামের একটি প্রবেশ পথ তৈরি করা শুধু বাকি। একই সাথে পরিবেশ দূষণের মাত্রা যাতে কমানো যায় সেই চেষ্টা করে যাচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবকদলের কর্মকর্তারা। সুনীল আরও জানিয়েছেন “মানুষেরা যখন এই হ্রদে ঘুরতে আসেন, নিজেদের ব্যবহার করা জিনিস জলে ছুঁড়ে ফেলেন হ্রদে, ফলে প্রাকৃতিক দূষণের পরিমাণ বেড়ে যায়। এই কারণে বিভিন্ন জায়গায় সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।”

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *