হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে দেশ

স্বপন দাশগুপ্তের ট্যুইটের জবাব দিলেন দিলীপ ঘোষ

বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: বিজেপির দুই সাংসদ, জন বার্লা ও সৌমিত্র খাঁয়ের পৃথক রাজ্যের দাবি নিয়ে অস্বস্তিতে বিজেপি ।
একদিকে বিজেপি সাংসদ জন বার্লা দাবি করেছেন উত্তরবঙ্গকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে আলাদা রাজ্য করার, অন্যদিকে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, জঙ্গলমহল এলাকা নিয়েও পৃথক রাজ্য গঠনের দাবি তুলেছেন বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

স্বপন দাশগুপ্ত একটি টুইট করে লিখেছেন বন্ধুস্থানীয় প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অরুণ জেটলির থেকে তিনি প্রধানত তিনটি জিনিস শিখেছিলেন। প্রথমত সাংবাদিকরা মুখের সামনে মাইক্রোফোন ধরলেই উত্তর দিতে হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই, দ্বিতীয়ত সব বিষয়ে নিজের মতামত কখন প্রকাশ করা উচিত আর কখন নয় সেটা নিজের জানাটা খুব জরুরি, আর তৃতীয়ত প্রত্যেক বিষয়ে নিজের মতামত জানাতে হবে এমন কথাও নয়।
স্বপন দাশগুপ্তের এই ট্যুইটের প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, “দলের কর্মীরা যখন মার খাচ্ছেন তখন টুইটার ফেইসবুকে রাজনীতি করার কোনো মানে হয় না। ঠাণ্ডা ঘরে বসে ওসব করা যায়। এখন বেশি করে কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো দরকার।”
২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে হুগলি তারকেশ্বর আসনে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়েছিলেন স্বপন দাশগুপ্ত। তখন রাজ্যসভার সদস্য পদ ছেড়ে ভোটে হেরে যাবার পরেও ফের রাজ্যসভায় মনোনীত হয়েছেন তিনি। হুগলির তারকেশ্বরের এক নেতার বক্তব্য, “তারকেশ্বরে যে কর্মীরা মার খাচ্ছেন সেখানে স্বপন বাবু কে দেখা যাবে না। তিনি অতিথির মত এসেছেন, ভোটে লড়েছেন, চলে গিয়েছেন রাজ্যসভায় আসন অলংকৃত করতে। সংগঠন বা সমাজে তার কিছুই অবদান নেই।” কয়েকদিন আগেই দলের সাংগঠনিক বৈঠক কয়েকজন নেতা-নেত্রীর অনুপস্থিতি দেখেই দিলীপ ঘোষ তাদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে কর্মীদের পাশে দাঁড়াতে বলেছিলেন। বিধানসভা নির্বাচনের পূর্বে বিজেপি বাংলা দখল করতে পারলে স্বপন দাশগুপ্তকে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করার রাজনৈতিক জল্পনা শোনা যাওয়ার পর থেকেই প্রতিদ্বন্দ্বিতার সূত্রপাত।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *