হুল উৎসব থেকে তির-ধনুক নিয়ে হামলা, তিরবিদ্ধ উপ-প্রধানের ভাই, শালবনি কোবরা ক্যাম্পে জওয়ানের আত্মহত্যা, করোনায় মৃতদের পরিবারকে দিতে হবে ক্ষতিপূরণ, কেন্দ্রকে নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, কসবা কাণ্ডে অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে মনোরোগী বলে দাবি করলেন আইনজীবী, বালি তোলা সহ নানা সমস্যার সমাধান করতে হবে বৈঠকে বললেন মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া, পরিত্যক্ত পিপিই কিট পরে শহরের রাস্তায় ঘুরছে মানসিক ভারসাম্যহীন, আতঙ্ক মেদিনীপুরে, জনপ্রিয় অভিনেতা বর্তমানে মাছ ব্যবসায়ী, হলফনামা জমা দেবার ক্ষেত্রে জরিমানা দিতে হল পাঁচ হাজার টাকা, আজ ঘোষণা হতে পারে নারদ মামলার রায়, বুধবার থেকে পনেরো শতাংশ ভাড়া বাড়ছে ওলা উবেরের,

Latest Trending Online News Portal : Bongobani.com

Sports News District News National News Updates

এই মুহূর্তে দেশ

অযোধ্যায় রাম মন্দিরের জন্য সরকারি জমি বিক্রি করার অভিযোগে অভিযুক্ত বিজেপি নেতার ভাইপো



বঙ্গবাণী ব্যুরো নিউজ: রাম মন্দির তৈরীর খাতে সাধারণ মানুষ সহ প্রত্যেকেই যে পরিমাণ দান করেছেন তাতে তিনহাজার কোটি টাকার বেশি চাঁদা জমা পড়েছে। আর সেই রাম মন্দিরের দানের টাকাতেই উঠে এসেছে দুর্নীতির অভিযোগ। রাজনৈতিক মহলের একাংশের বক্তব্য মন্দির নির্মাণের জন্য দেওয়া জনগণের টাকার সমস্তটাই যাচ্ছে বিজেপি নেতাদের কাছে। সরকারি জমি বিক্রি করার অভিযোগ করা হয়েছে অযোধ্যার মেয়র তথা বিজেপি নেতা ঋষিকেশ উপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে।

যে জমি সরকারি জমি তা বিক্রির কথাই ওঠে না। অযোধ্যার দশরথ গদ্দি মন্দিরের মহন্ত ব্রিজমোহন দাস অভিযোগ তুলেছেন মন্দির কর্তৃপক্ষ এবং গেরুয়া শিবিরের রাজনীতিকদের বিরুদ্ধে। তিনি বলেছেন,”ভগবান রামের মন্দির নিয়ে যারা ব্যবসা করেন, তারা বাবর এর চেয়েও অধম।” সূত্রের খবর ৮৯০ বর্গমিটার জমি কুড়ি লক্ষ টাকায় মহন্ত দেবেন্দ্রপ্রসাদ আচার্যের কাছ থেকে কিনে নেন বিজেপি নেতা ঋষিকেশ উপাধ্যায়ের ভাইপো দীপ নারায়ণ। আর তার তিন মাসের মধ্যেই তিনি ওই জমিটি আড়াই কোটি টাকায় বিক্রি করেন রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্রকে। দেবেন্দ্রপ্রসাদ আচার্য্য বলেছেন, দীপ নারায়ণকে কুড়ি লক্ষ টাকায় ৮৯০ বর্গকিলোমিটার জমিটি বিক্রি করেছিলেন তিনি। তারপর সেই জমি বহুবার হাতবদল হবার পরে কয়েক কোটি টাকা লাভ করেছেন ওই মেয়রের ভাইপো। ১৮ই মে দুই ব্যক্তির মধ্যে সংশ্লিষ্ট জমিটি বেচা-কেনার কথা হয় দুই কোটি টাকায়। আর তারপরই নতুন মালিকের থেকে সাড়ে আঠারো কোটি টাকায় জমিটি কিনে নেয় রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। অভিযুক্ত ব্যক্তি দুই কোটি টাকায় কিনে আঠারো কোটি টাকায় বিক্রি করায় ষোলো কোটি টাকা লাভ করেন। দেবেন্দ্র প্রসাদ জানিয়েছেন, “জমিটি রামমন্দির নির্মাণের জন্য দিয়ে দিতে হবে বলে বেশ কিছুদিন ধরে মেয়র জোরাজুরি করছিলেন। সরকারি জমি থেকে যা পাওয়া যায় তাই ভালো। এই ভেবেই জমিটি বিক্রি করে দিই।” মন্দিরের জমি কেনার দুর্নীতির অভিযোগে রীতিমতো অস্বস্তিতে পড়েছে মোদি সরকার, যোগী সরকার এবং সংঘ। মোদির সরকারই অযোধ্যার ট্রাস্ট তৈরি করে বারো জনকে মনোনীত করেছিল, যার মধ্যে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের আমলারাও যুক্ত। ২০২১ সালের ৩১শে মার্চ পর্যন্ত মোট ৩২০০ কোটি টাকা চাঁদা সংগ্রহ করা হয়েছে। রাম মন্দির নির্মাণ কমিটির চেয়ারম্যান, প্রধানমন্ত্রীর প্রাক্তন প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি নৃপেন্দ্র এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেননি। সরকারি জমি বেচে দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন করায় অযোধ্যার জেলাশাসক অনুজ কুমার ঝা জানিয়েছেন, এখনো পর্যন্ত এরকম অভিযোগ তিনি পাননি। জমির লিজ যার নামে সে চাইলে জমি বিক্রি করতে পারেন, কিন্তু লিজ ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তি সেই জমি বিক্রি করে থাকলে তবেই কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন জেলা শাসক।

LEAVE A RESPONSE

Your email address will not be published. Required fields are marked *